শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
টরকী বন্দরের ডাকাতির নিউজ করায় সাংবাদিকের উপর হামলা আশুলিয়া থানা যুবলীগের শীর্ষ পদ চায় কে এই রাজু দেওয়ান? রক্তাক্ত ১৫ আগষ্টে ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান ময়মনসিংহে রওশন এরশাদের পক্ষে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাপার জাতীয় শোক দিবস পালন।। বানারীপাড়ায় জাতীয় শোক দিবস পালন ও হত দরিদ্রদের মাঝে চেক ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের সাথে বাবুলের সাংগঠনিক বিষয়ে পরামর্শ ও আলোচনা বঙ্গমাতার জন্মদিনে বানারীপাড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ ময়মনসিংহের অষ্টধার ইউনিয়নে গণটিকার উদ্ভোধন করলেন চেয়ারম্যান তারেক হাসান মুক্তা।। তারাকান্দায় এডিসি ও ইউএনও’র গণটিকা কার্যক্রম পরিদর্শন।। সিরাজদিখানে গাজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে সোনারং অষ্টাদশ শতাব্দীর জোড়া মঠ

মুন্সীগঞ্জে সোনারং অষ্টাদশ শতাব্দীর জোড়া মঠ

মোঃ‌লিটন মাহমুদ ও সুজন বেপারীঃ

মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার সোনারং জোড়া মঠ বাংলাদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর এই প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন।

এটি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার সোনারং গ্রামে অবস্থিত। কথিত ইতিহাসে জোড়া মঠ হিসাবে পরিচিত লাভ করলেও মূলত এটি জোড়া মন্দির। মন্দিরের একটি প্রস্তর লিপি থেকে জানা যায় এলাকার রূপচন্দ্র নামে হিন্দু লোক বড় কালীমন্দিরটি ১৮৪৩ সালে ও ছোট মন্দিরটি ১৮৮৬ সালে নির্মাণ করেন।

ছোট মন্দিরটি মুলত শিবমন্দির। বড় মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ১৫ মিটার। প্রায় ২৪১ ফুট উঁচু এই মঠ দিল্লীর কুতুব মিনারের চেয়েও পাঁচ ফুট উঁচু। তাই এটি ভারত উপমহাদেশের সর্বোচ্চ মঠ।

অষ্টভূজ আকৃতির এ মঠের দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে ২১ ফুট। চুন-সুরকি দিয়ে তৈরি মঠের দেয়াল বেশ পুরু। মন্দির দুটির মূল উপাসনালয় কক্ষের সঙ্গের রয়েছে বারান্দা বড় মন্দিরের ১.৯৪ মিটার ও ছোটটিতে ১.৫ মিটার বারান্দা।

এ ছাড়া মন্দিরের সামনের অংশে বেশ বড় আকারের একটি পুকুর রয়েছে। বড় মন্দিরটি তৈরির সমসাময়িক সময়ে এই পুকুরটি তৈরি করা হয়। মূল মন্দিরের ছাদ নিচু গোলাকার গম্বুজ আকৃতির। সোনারং গ্রামে এক সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। মন্দিরের একটি নামফলক থেকে জানা যায় রূপচন্দ্র নামে এক হিন্দু বণিক জোড়া মঠের নির্মাতা।

স্থাপনা দুটি মঠ নামে পরিচিতি পেলেও আসলে এগুলো হিন্দু মন্দির। কথিত আছে শ্রী রূপচন্দ্রের অন্ত্যষ্টিক্রিয়া এখানেই সমাপ্ত হয়েছে।

ঢাকার গুলিস্তান থেকে বাসে চেপে মুন্সীগঞ্জের টংগীবাড়ি নামতে হবে। টংগীবাড়ি থেকে রিক্সা বা অটো রিক্সায় করে সহজেই চলে যেতে পারবেন সোনারং গ্রামের জোড়া মঠে। ঢাকার কাছে বলে দিনে দিনেই আপনি ঢাকায় ফিরে যেতে পারবেন।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD