মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
টরকী বন্দরের ডাকাতির নিউজ করায় সাংবাদিকের উপর হামলা আশুলিয়া থানা যুবলীগের শীর্ষ পদ চায় কে এই রাজু দেওয়ান? রক্তাক্ত ১৫ আগষ্টে ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান ময়মনসিংহে রওশন এরশাদের পক্ষে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাপার জাতীয় শোক দিবস পালন।। বানারীপাড়ায় জাতীয় শোক দিবস পালন ও হত দরিদ্রদের মাঝে চেক ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের সাথে বাবুলের সাংগঠনিক বিষয়ে পরামর্শ ও আলোচনা বঙ্গমাতার জন্মদিনে বানারীপাড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ ময়মনসিংহের অষ্টধার ইউনিয়নে গণটিকার উদ্ভোধন করলেন চেয়ারম্যান তারেক হাসান মুক্তা।। তারাকান্দায় এডিসি ও ইউএনও’র গণটিকা কার্যক্রম পরিদর্শন।। সিরাজদিখানে গাজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
নওগাঁয় জাতীয় সঞ্চয় বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী কর্তৃক আমানতকারীদের ৫ কোটিরও বেশী টাকা আত্মসাৎ

নওগাঁয় জাতীয় সঞ্চয় বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী কর্তৃক আমানতকারীদের ৫ কোটিরও বেশী টাকা আত্মসাৎ

নওগাঁ প্রতিনিধি ঃ নওগাঁয় জাতীয় সঞ্চয় অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের আমানতকারী ১১১ জন নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। প্রায় সোয়া এক বছর অতিবাহিত হলেও তাঁরা তাঁদের ত্রৈমাসিক লভ্যাংশ এবং মুল টাকা কোনটিই উত্তোলন করতে সপারছেন না। এর ফলে বয়োজৈষ্ঠ এসব ব্যক্তিরা তাঁদের সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। দিনের পর দিন জাতীয় সঞ্চয় অফিসে ধন্যা দিয়ে কোন কুল কিনারা করতে পারছেন না এসব গ্রাহক।
জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো/ অফিস নওগাঁ’র এসব গ্রাহক কেউ সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে রশিদ দেখিয়ে সঞ্চয়পত্রের বই সংগ্রহ করেছেন আবার কেউ সরাসরি সঞ্চয় অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে স য়পত্রের বই সংগ্রহ করেছেন। তাদের কেউ কেউ কমপক্ষে ত্রৈমাসিক লভ্যাংশ ৩ বার আবার কেউ কেউ ১০ বার টাকাও তুলেছেন। এর পর এদের মধ্যে ৬২ জন গ্রাহক জানতে পারেন তাঁদের টাকা জমা দেয়ার রশিদ ভুয়া। আবার ৪৯ জন গ্রাহককে জানিয়ে দেয়া হয় যে বাংলাদেশ ব্যাংকে সরকারী কোষাগারে তাদের টাকা জমাই দেয়া হয় নি।
বিষয়টি জানাজানি হলে রাজশাহী বিভাগীয় দুদক অফিস থেকে তদন্ত শেষে একটি মামলা দায়ের করা হয়। প্রেক্ষিতে ওই অফিসের সহকারী পরিচালক, অফিস সহকারী, অফিস সহায়কসহ ৪ জনকে গ্রেফতারও করে দুদক। বর্তমানে তারা সকলেই জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
আমানতকারীদের মধ্যে ৪৩২/১৮ মোতাবেক আমানতকারী ৫ লক্ষ টাকা, ৪৬৪/১৮ মোতাবেক আমানতকারী ড. আবু সালেহ মোঃ মুসা ২ লক্ষ টাকা এবং ১২৯/১৮ মোতাবেক আমানতকারী মোঃ মোস্তাইন বিল্লাহ জানিয়েছেন তাঁরা ১১১ জন গ্রাহক গত ২০১৯ সালে জুন মাসের পর থেকে ত্রৈমাসিক লভ্যাংশ কিংবা মুল টাকা কোনটাই ফেরত পাচ্ছেন না। গ্রাহকদের অধিকাংশ সরকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মচারী। এই লভ্যাংশ দিয়েই তাঁদের সংসারের ব্যয় নির্বাহ হয়ে থাকে। কাজেই লভ্যাংশ না পেয়ে খেয়ে না খেয়ে দুর্বিসহ জীবন যাপন করছেন। সবশেষে তাঁরা অতি সম্প্রতি জাতীয় সঞ্চয় অফিসের সামনে ভুক্তভোগি গ্রাহকরা একটি মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছেন।
এ ব্যপারে বর্তমান সহকারী পরিচালক আসাদ্জ্জুামান বলেছেন- সঞ্চয় বিভাগের উর্ধতন কর্ত্তৃপক্ষের নির্দেশে এই ১১১ জনের হিসাব আপাতত স্থগিত করা রয়েছে। এ ব্যপারে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা চলমান রয়েছে। মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যপারে তাঁর কিছুই করার নেই।
সরকারী একটি দায়িত্বশীল দপ্তরের এমন কর্মকান্ডের জন্য এই সাধারন আমানতকারীরা কেন তাদের মুলধন হারিয়ে পথে বসবেন এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের।#

রওশন আরা পারভীন শিলা
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD