সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১২:০০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
এড. সুজার মৃত্যুতে জাপার রাজনীতিতে যে শূণ্যতার সৃষ্টি হলো তা পূরণীয় হবার নয়- রওশন এরশাদ।। কালিহাতীতে পিকনিকের নৌকা থেকে নদীতে পড়ে ঘাটাইলের যুবক নিখোঁজ মধুপুরে আকাশী ফুলবাড়ী মোড় হতে রানিয়াদ ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কের বেহাল অবস্হা শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নির্দেশনায় মুন্সিগঞ্জে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রলীগ। আশুলিয়ায় চার মাদক ব্যবসায়ী ও মিরপুরে ৩৭জুয়ারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব! নড়াইলে অবসরে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের সন্মাননাসহ সুসজ্জিত গাড়িতে করে বিদায় জানালো, এসপি প্রবীর কুমার রায় খুলনার পাইকগাছায় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় স্মারকলিপি প্রদান প্রশাসনের মাইকিং অমান্য করে পাইকগাছার চাঁদখালীতে লকডাউনের মধ্যে গরুর হাট বসানোর অভিযোগ পাইকগাছায় ভাঙ্গা মাটির ঘরে তপন বিশ্বাসের মানবেতর জীবন যাপন পাইকগাছায় ৫ জুয়াড়ি আটক : থাানায় মামলা
পেয়াজে স্বনির্ভর হবার উজ্জ্বল সম্ভবনা

পেয়াজে স্বনির্ভর হবার উজ্জ্বল সম্ভবনা

আলিফ হোসেন,তানোর
বাংলাদেশের পেয়াজ চাষে স্বনির্ভর হবার উজ্জ্বল সম্ভনা রয়েছে। সংরক্ষণ সুবিধা সৃস্টির পাশাপাশি সরকারের প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তা সম্ভব বলে মনে করছেন কৃষকেরা। এছাড়াও ফাস্টফুড, হোটেল-রেস্তোরায় সালাদ পরিবেশনে পেঁয়াজের বিকল্প শসা, গাজর, পেঁপে ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। জানা গেছে, পেয়াজ একটি মসলা ও সবজি জাতীয় উদ্যান ফসল। বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ২৫ থেকে ২৬ লাখ মেট্রিক টন পেয়াজ উৎপাদন হয়ে থাকে। এছাড়া ভারত থেকে সাড়া বছরই বিপুল পরিমান পেয়াজ আমদানি হয়ে থাকে। গত বছর থেকে ভারত প্রতি সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশে পেয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। তাদের অভ্যন্তরীন চাহিদার যোগান স্বাভাবিক রাখতে এমন পদক্ষেপ নেয় ভারত সরকার।
তবে এতো পেয়াজ কি হয়? সবই কি আমরা তরকারির কাজে ব্যয় করছি? না উত্তরটা একদমই সরল, দেশের এবং আমদানি যোগানের বিশ শতাংশ ব্যয় হয় তরকারিতে আর আশি শতাংশ পেয়াজ ই খরচ হচ্ছে হোটেল রেস্তুরায় ফার্স্ট ফুড তৈরি ও পরিবেশনের সালাদ হিসেবে। দেশে বছরের শেষের দিকে গত দুই বছর যাবৎ পেয়াজের মূল্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ফাস্ট ফুডের তুমুল আগ্রহটাও সারা দেশে বিধ্যমান। যদি আমরা স্বাস্থ্য সচেতনতা সরূপ ফার্স্ট ফুডের চাহিদা কমিয়ে ফেলি এবং পরিবেশনে পেয়াজের পরিবর্তে সিজনালি শশা, পেপে, গাজর কিংবা মূলার ব্যবহার করা হয় তাহলে মোট চাহিদার বিশাল একটা অংশ বেচে যাবে।বর্তমান পরিস্থিতিতে পেয়াজের বিকল্প দিয়েই সালাদ পরিবেশন হচ্ছে। এটি সারা বছর ধরে রাখলেই আমাদের আর আমদানি নির্ভর হওয়া লাগবেনা। তাছাড়া যখন স্বাভাবিক সিজনালি আমদানি হয়ে থাকে তখন দেশীয় পেয়াজ বাজারে অধিক সরবারহ না করলে সহজেই আমরা আত্ন নির্ভরশীল হতে পারবো।#

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD