শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
ছাতকে জনতার হাতে দুই মোটরসাইকেল চুর চক্রের সদস্য আটক, আদালতে প্রেরণ

ছাতকে জনতার হাতে দুই মোটরসাইকেল চুর চক্রের সদস্য আটক, আদালতে প্রেরণ

ছাতক প্রতিনিধি::ছাতকে আন্ত:জেলা মোটর সাইকেল চুর চক্রের দু’সদস্যকে হাতে-নাতে আটক করেছে জনতা। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলর গোবিন্দগঞ্জ মাছ বাজার এলাকায় ধাওয়া করে জনতা তাদের আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে থানা পুলিশের কাছে তাদের সোপর্দ করা হয়।

জানা যায়, ছাতক পৌরশহর, গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট, জাউয়াবাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ১৫-২০টি মোটর সাইকেল চুরি হয়েছিল। মোটর সাইকেল মালিক অনেকেই থানায় জিডি করেছিলেন। মাঝে মধ্যে চুর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করে একাধিক মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছিল থানা পুলিশ। কিন্তু চুর চক্রের সদস্যদের হাতে-নাতে গ্রেফতার না হওয়ায় চুরি হওয়া অসংখ্য মোটর সাইকেল এখনও উদ্ধার হয়নি।

অবশেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে মোটর সাইকেল নিয়ে গোবিন্দগঞ্জ মাছ বাজারে মাছ ক্রয় করতে যান গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের তৈমুছ আলীর ছেলে নাঈমুর রহমান। মোটর সাইকেলটি নির্মানাধিন আরসিসি রাস্তার উপর রেখে বাজারের মাছ গলিতে প্রবেশ করেন। কিছু সময় পর আন্ত:জেলার মোটর সাইকেল চুর চক্রের দু’সদস্য মাস্টার চাবী ব্যবহার করে মোটর সাইকেল নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয় দিঘলী রামপুরের আনোয়ার হোসেন নামের একজন মৎস্য ব্যবসায়ীসহ উপস্থিত লোকজন ধাওয়া করে মোটর সাইকেলসহ দু’জনকে আটক করেন। আটককৃতরা হলেন, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার আনোয়ারপুর গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে ফয়েজ আহমদ (২২) ও সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার চান্দসীরকাপন গ্রামের মৃত আরিফ উল্ল্যার ছেলে সুজন মিয়া (২৮)। পরে জনতা গণধোলাই দিয়ে থানা পুলিশের কাছে তাদের সোপর্দ করেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মোটর সাইকেলের মালিক, জালালপুর গ্রামের তৈমুছ আলীর ছেলে নাঈমুর রহমান বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে শুক্রবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মহসিন জানান, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে অনটেষ্ট একটি মোটর সাইকেল ও মাস্টার চাবী উদ্ধার করা হয়েছে।##

হাসান আহমদ,
ছাতক,সুনামগঞ্জ।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD