শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
ব্যস্ত সময় পার করছে মিরকাদিমের মৃৎ শিল্পীরা

ব্যস্ত সময় পার করছে মিরকাদিমের মৃৎ শিল্পীরা

মোঃ‌লিটন মাহমুদ ঃ

ব্যস্ত সময় পার করছে মিরকাদিমের মৃৎ শিল্পীরা। প্রায় শেষ সময় এসে মাটির কাজ শেষ করে রং তুলির আঁচড়ে দেবী দূর্গাকে অপরুপা সাজে সাজিয়ে তুলতে ব্যস্ত শিল্পীরা। হিন্দু ধমার্লমবীদের প্রধান ধমর্ীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দূগার্ পূজা।

ইতিমধ্যে মহালয়া কার্যক্রমের মাধ্যমে শুরু হয়েছে পূজা উদযাপনের আমেজ।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার মৃৎ শিল্পীরা দূর্গা প্রতিমা বানাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

তাদের এখন খাওয়া দাওয়ার ও সময় নেই। মাটির কাজ শেষে তুলির আচঁড়ে দূগার্ মায়ের শরীর রাঙ্গিয়ে দিতে মহাব্যস্ত মিরকাদিমের মৃৎ শিল্পীরা। মিরকাদিমের প্রতিমার কদর জেলা ছাড়িয়েও দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে পাশ্ববতর্ী জেলা গুলোয় চাহিদা অনেক।
মিরকাদিম পৌরসভার মুরমা পালপাড়ার একজন মৃৎ শিল্পীর বাড়িতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহাব্যস্ত প্রায় ৬ জন মৃৎ শিল্পী কাজ করছে। কেউ কারো দিকে তাঁকানোর সময় পর্যন্ত নেই। সময়মত অডার্রের প্রতিমা বুঁঝিয়ে দিতে তাদের যেন কোন নিস্তার নেই। কেউ ব্যস্ত মাটির কাজে, কেউ বা শেষ তুলির আঁচড়ে রাঙ্গিয়ে তুলছে দেবী দূগার্ প্রতিমার শরীর।

অনেক প্রতিমা কাস্টমারের কাছে বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আবার অনেকেই প্রতিমা নিয়ে যাচ্ছেন রং ও তুলির আচঁড় ছাড়া। ছোট ছোট অনেক কাজ বাকি রেখেই নিয়ে যাচ্ছেন অনেকে। রং ও ছোট ছোট বাকি কাজ গুলো যথা স্থানে পৌছানোর পর রং শিল্পী সেখানে গিয়ে রং করে দিয়ে আসে। শ্রেণীভেদে প্রতিমা ৩০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকায় বিনিময় হয়।

মৃৎ শিল্পীদের প্রধান মানিক পাল বলেন, আমি প্রায় ৩০ বছর যাবৎ প্রতিমা তৈরির মত পবিত্র দায়িত্ব পালন করে আসছি।

প্রায় সারা বছরই টুকটাক প্রতিমা তৈরির কাজ থাকে। শারদীয় দূগার্ পূজা এলে ব্যস্ততা বেড়ে যায়। আমি আমার দুই ছেলে ও ৩ জন কারিগর নিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ করি।

উল্লেখ্য ও আশ্চর্য়ের বিষয় মানিক পালের ছেলে এমবিএ করেও তার বাবার মৃৎ শিল্পের কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। ছেলে আকাশ পাল প্রতিমা রং করার প্রদান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

আকাশ পাল বলেন, আমি গর্বের সাথে মৃৎ শিল্পীরে কাজ করছি। আমি প্রতিমা তৈরির মত পবিত্র কাজ করতে পেরে খুশি।

আমাদের সমাজে মৃৎ শিল্পকে বাঁচাতে আকাশ পালদের মত শিক্ষিত যুবকদের এগিয়ে আসা প্রশংসার যোগ্য।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD