বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
শাজাহানপুরে মাদক ব‍্যবসায়ী নল্লে গ্রেফতার কেশবপুরে একজন সাংবাদিকসহ করোনা পজিটিভ ১০ জন ব্যক্তি মহেশপুরে শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক ডিটুলের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল ও স্মৃতি চারণে স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত। পাইকগাছায় জেলা বিএনপির উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতে মাদকাসক্ত এক যুবককে ৬ মাসের জেল পাইকগাছায় আইনজীবিদের সাথে ওসির মতবিনিময় রাজশাহীসহ তিন অঞ্চলের শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে এসাইনমেন্ট বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত। সিরাজদিখানে অবৈধ পার্কিংয়ের দায়ে ৩৬টি অটোরিকশা আটক হবিগঞ্জের অলিপুর প্রাণ কোম্পানির শ্রমিকের মৃত্যু বরগুনার তালতলীতে সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিহ্নিত সন্ত্রাসী মিজান ও রবিনের ধারালো ছুরির আঘাতে এক নার্স আহত

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিহ্নিত সন্ত্রাসী মিজান ও রবিনের ধারালো ছুরির আঘাতে এক নার্স আহত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে এক নার্স সন্ত্রাসী হামলায় আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে এলাকার চিহ্নিত দুই সন্ত্রাসী হাসপাতালের ৬তলার মহিলা মেডিসিন ও সার্জারী ওয়ার্ডে এসে একজন আয়াকে খুজতে থাকে। এসময় ঐ ওয়ার্ডে কর্তব্যরত স্টাফ নার্স শ্রাবণী কুচ জানান ঐ আয়া এখানে নেই। একপর্যায়ে সন্ত্রাসী রবিন ও মিজান ঐ নার্সকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে গলায় ধারালো ছুরি ধরে প্রাণে হত্যা করার চেষ্টা করে। সঙ্গে সঙ্গে আত্মরক্ষার্থে নার্স শ্রাবনী কুচ চিৎকার দিলে তার বাম হাতে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এঘটনায় হাসপাতালে রোগীদের মাঝে ভয়ে আতংঙ্ক বিরাজ করতে থাকে। হাসপাতালের কর্তব্যরত সকল নার্স সদস্যরা নিচে এসে হাসপাতালের ইমাজের্ন্সী বিভাগে আশ্রয় নেন। ওয়ার্ড থেকে হাসপাতপালের বাহিরে চলে আসেন সকল নার্স তারা ডাক্তার কোয়াটারে গিয়ে বিষয়টি আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ রফিকুল ইসলামকে মৌখিক ভাবে জানায়। তিনি সকালে থানায় গিয়ে লিখিত ভাবে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন। বিষয়টি পুলিশকে জানালে সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নার্সদের সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। হাসপাতালের আশপাশ এলাকার একাধিক মানুষের সাথে আলাপ করে জানা যায় হামলাকারীরা একই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রসী। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকে জানান কিছু দিন পরপর সুলতানপুর এলাকার মিজান ও রবিন নামে দুই বকাটে মাদক সেবন করে এসে হাসপাতালে নিরীহ মানুষের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। মাস কানেক আগেও ঐ দুই সন্ত্রসী হাসপাতালের একটি প্রাইভেট এম্বুলেন্স এর ড্রাইভারকে গলায় ফাসঁ লাগিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল আশপাশের লোক জনের কারনে ড্রাইভার প্রাণে বেচেঁ যায়। এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঐ দুই সন্ত্রসীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি নিতে চাইলে বিষয়টি স্থানীয় ভাবে বিচারের মাধ্যমে সমাধানের জন্য তাদের অভিভাবকরা বিচারের মাধ্যমে সমাধান দেন । কিছু দিন যেতে না যেতেই আবার হাসপাতালে নার্সকে মারার জন্য হামলা চালায় ঐ দুই সন্ত্রসী । ঐ দুই সন্ত্রসীর কারনে অতিষ্ট হাসপাতালে নার্স আয়াসহ স্থানীয় এলাকাবসী সাধারণ মানুষ যতই দিন যাচ্ছে লাগমহীন ভাবে বেড়ে উঠছে সন্ত্রসী মিজান ও রবিন। এদেরকে আইনের আওতায় আনা না হলে যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা এমনটির আতঙ্ক বিরাজ করছে হাসপাতালে চারপাশে।জানা যায় এদের বিরুদ্ধে খুন , চিনতাইসহ অনেক অভিযোগও রয়েছে। এছাড়াও কিছ দিন হয় হাসপাতালের সামনে সরকারী রাস্তার উপর জোর পূর্বক ভাবে জায়গা দখল করে বসে আছে হামলাকারী মিজান ও রবিন গংরা।তাদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ ভয়ে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলে জানায় একাধিক সূত্র। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন এমনটি দাবী সাধারণ মানুষের।
এ বিষয়ে আহত সিনিয়র স্টাফ নার্স শ্রাবণী কুচ বলেন, অজ্ঞাত পরিচয়ে দুই যুবক পারভীন নামের এক মহিলা কোথায় আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন পারভীন এখানে নেই। কখন আসবে তা তিনি জানেন না। এককথা বলার পরপর সন্ত্রাসীরা তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এক পর্যায়ে গলায় ধারালো ছুরি ধরে। পরে তিনি আত্ম রক্ষার্থে বাম হাত দিয়ে গলা থেকে ছুরি সরাতে গেলে সন্ত্রাসীরা তার বাম হাতের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। হাসপাতালে নিরাপত্তা নেই তাদের কি করে রোগীদের সেবা প্রদান করবেন নার্সরা আতঙ্কে রয়েছেন বলেও জানান
এব্যাপারে সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ওয়ার্ড সুপার ভাইজার আমেনা আক্তার বলেন, বিষয়টি আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।
এব্যাপারে সদর হাসপাতালের আর এম ও ডা: রফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD