রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে সমঝোতায় সুবিধা নিলো ঠিকাদার রাজস্ব বঞ্চিত সরকার কোটি টাকার বালু পানির দরে বিক্রি গৌরনদীতে চার শত লোকের হাতে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী তুলে দিলেন জেলা পরিষদের সদস্য হারুন হাওলাদার কেশবপুরে আরও এক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন স্বপ্ন মৎস্য প্রকল্পের মৎস্যজীবিদের মাথায় হাত নড়াইলে লকডাউন কার্য্যকর করতে অভিযান চালিয়েছে এসপি প্রবীর কুমার রায় গৃহনির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এডিসি মারুফুল আলম পাইকগাছায় করোনা প্রতিরাধ বিষয়ক পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার অপরাধে আটক-১ বিএফএ-এর পক্ষ থেকে পাবনা জেলা প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান ফুলবাড়িয়ায় কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ও তার বাবাকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
করোনার মধ্যেও বছরের শেষে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে-এর জন্য সিন্ডিকেটই দায়ী

করোনার মধ্যেও বছরের শেষে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে-এর জন্য সিন্ডিকেটই দায়ী

হেলাল শেখঃ বাংলাদেশে ২০২০ইং বছরের শেষে শীতের কুয়াশায় নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে, এর জন্য সিন্ডিকেটই দায়ী। শীতজনিত রোগ (কোভিড-১৯ মহামারি) করোনার মধ্যেও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। কবিতার ভাষায় বলতে হয়, ধোঁয়া ধোঁয়া কুয়াশা-না পারি কইতে আর না পারি সইতে। গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়তির কারণে ক্রেতা সাধারণ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
বাজারে ঘুরে দেখা যায়, নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা কমার পর বাজারগুলোতে আবারও বেড়েছে আলু ও পেঁয়াজের দাম, সেই সাথে চালসহ বেশ কয়েকটি খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৮থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে আলু ও পেঁয়াজের দাম। ব্যবসায়ীদের দাবী-কুয়াশার কারণে বাজারে আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে রাজধানীসহ ঢাকার আশপাশের বাজারে নতুন আলু ৪০-৪৫ টাকা। পুরাতন আলু বিক্রি হতো ৩৫-৪০ টাকা কেজিতে, তা প্রতি কেজিতে এখন ৫-১০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার ও শনিবার রাজধানীর শান্তিনগর, নিউমার্কেট ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, নতুন আলু ৫৫-৬০ টাকা কেজি বিক্রি করছে। এই আলুর দাম পাইকারি বাজারে ৪০-৪৫ টাকা। পুরোনো আলু কেজিতে ১০ টাকা ব্যবধানে বিক্রি করা হচ্ছে। বিক্রেতাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, শুক্রবার ও শনিবার প্রতি কেজি মিনিকেট ও নাজিরশাল চাল বিক্রি করা হচ্ছে ৬২-৬৮ টাকা। যা গত ৭দিন আগে ছিলো ৫৭-৬২টাকা।বিআর-২৮চাল বিক্রি হয়েছে ৫৫-৫৬টাকা, যা ১সপ্তাহ আগে ছিলো ৫০-৫২টাকা। মোটা চালের মধ্যে স্বর্ণা প্রতি কেজি বিক্রি করা হচ্ছে ৫০-৫২ টাকা, যা ৭দিন আগে ছিলো ৪৮-৫০টাকা। খুচরা বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল কোম্পানির ভেদে দেওয়া দাম ১১৫-১২৫ টাকা বিক্রি। যা ৭দিন আগে ছিলো ১১০-১১৫ টাকা। এছাড়া ৫লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৫৬০ টাকা। যা ১সপ্তাহ আগে ছিল ৫৪০ টাকা।
এদিকে ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতো শিম, ফুলকপি ২০-৩০ টাকা কেজি বিক্রি। ৪০-৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বড় লাউ। মুলা ১০-১৫ টাকা, গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি। বেগুন ৩০-৪০ টাকা কেজি, উস্তে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। ধেড়স ও পটল ৩৫-৪০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ৫-১০ টাকা বাড়ছে।এরকম সকল নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও এ যেন দেখার কেউ নেই। সেই সাথে নকল ও ভেজাল খাদ্যপণ্য বাজারজাত করছে একটি সিন্ডিকেট। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন অভিযান চালিয়ে কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে জেল জরিমানা করলেও বন্ধ হচ্ছে না সিন্ডিকেটের অবৈধ কারবার।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক চৌকস পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি এবং দৈনিক নতুন বাংলাদেশ এর সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম হেলাল শেখ বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ২১৩টি দেশে (কোভিড-১৯, মহামারি) করোনায় অনেক মানুষ আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছেন। বর্তমানে শীত ও কুয়াশায় শীতজনিত রোগ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেক মানুষ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর ২০২০ইং) করোনায় ২৫ জনের মৃত্যুসহ এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৭ হাজার ২১৭ জন। আক্রান্ত মোট শনাক্ত ৪ লাখ ৯৮ হাজার ২৯৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৬১৪জন। সরকারি, বেসরকারী সকল অফিস আদালত খোলা থাকলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। অনেক শিল্প কারখানার শ্রমিকদের কাজ না থাকায় চাকুরি নেই। কয়েক লাখ মানুষ বেকার। অনেকেই কাজ করেও ঠিকমত কাজের পাওনা টাকা পাচ্ছেন না। নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে, এ যেন দেখার কেউ নেই। এসব কারণে অনেকেই অনাহারে অর্ধাহারে থেকে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান। দেশের পদ্মা সেতু ও রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়ন করছে সরকার, এর জন্য সরকারকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, কিন্তু নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করা দরকার, যেসকল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিত্যপণ্যের দাম বাড়াচ্ছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD