বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
শাজাহানপুরে মাদক ব‍্যবসায়ী নল্লে গ্রেফতার কেশবপুরে একজন সাংবাদিকসহ করোনা পজিটিভ ১০ জন ব্যক্তি মহেশপুরে শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক ডিটুলের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল ও স্মৃতি চারণে স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত। পাইকগাছায় জেলা বিএনপির উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতে মাদকাসক্ত এক যুবককে ৬ মাসের জেল পাইকগাছায় আইনজীবিদের সাথে ওসির মতবিনিময় রাজশাহীসহ তিন অঞ্চলের শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে এসাইনমেন্ট বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত। সিরাজদিখানে অবৈধ পার্কিংয়ের দায়ে ৩৬টি অটোরিকশা আটক হবিগঞ্জের অলিপুর প্রাণ কোম্পানির শ্রমিকের মৃত্যু বরগুনার তালতলীতে সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত
কুড়িগ্রামে পুকুর খননে পুকুর চুরি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

কুড়িগ্রামে পুকুর খননে পুকুর চুরি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

চিলমারীতে অনিয়ম আর দুর্নীতির মধ্য দিয়ে পুকুর খননে পুকুর চুরির অভিযোগ উঠেছে। খনন দেখানো হলেও অস্তিত্ব নেই পুকুরের। অভিযোগ উঠেছে দায়সারাভাবে কাজ ও খনন না করে বরাদ্দকৃত অর্থ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আঁতাত করে হরিলুট করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টরা। কাগজ-কলমে থাকলে বাস্তবে ভিন্ন। নেই তদারকি নেই উদ্যোগ চলছে শুধু লুটপাট। ভেস্তে যাচ্ছে প্রকল্পের উদ্দেশ্য। জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে রংপুর বিভাগ মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প এবং জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উন্নয়ন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে দারিদ্র্যবিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং মৎস্য আবাসস্থল উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।
এ প্রকল্পর আওতায় উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের কড়াই বরিশাল আশ্রয়ন পুকুর খনন, পুনঃখনন প্রকল্পের জন্য ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেয়া হলেও উক্ত এলাকায় পুকুর খনন না করেই খনন দেখানো হয়েছে বলেও রয়েছে ব্যাপক অভিযোগ। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ইউপি মেম্বার শহিদুল রহমান বলেন, কাগজে-কলমে থাকলেও উক্ত স্থানে কোনো খনন করা বা সংস্কার করা হয়নি।

এছাড়াও মনতলা আশ্রয়ন পুুকুর পুনঃখননের নামে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও সেই নামে কোনো আশ্রয়নের সন্ধান পাওয়া যায়নি। রমনা ইউপি পুকুর, ডুষমারা থানা পুকুর পুনঃখনন প্রকল্পে ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে দায়িত্বশীলরা দায়সারাভাবে কাজ করে বেশির ভাগ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এদিকে অভিযোগ উঠায় নিজেদের সাধু বানাতে বিভিন্ন কায়দায় সংশ্লিষ্টরা চেষ্টা ও তদবির করে টাকা উত্তোলন ও ঘটনা ধামাচাপা চেষ্টা করাসহ নামে মাত্র দায়সারা পুকুর খনন করে ঘোলা জলে মাছ স্বীকার করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা মৎস্য অফিসার বদরুজ্জামান মিঞা বলেন, কাজ আদায় করে নেয়া হয়েছে এছাড়াও যতটুকু কাজ হয়েছে সেই অনুযায়ী বিল করা হয়েছে। তবে অস্তিত্বহীন পুকুর পুনঃখনন দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ এর ব্যাপারে কোনো সঠিক উত্তর দেননি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ডব্লিউএম রায়হান শাহ্‌ বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD