সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে সমঝোতায় সুবিধা নিলো ঠিকাদার রাজস্ব বঞ্চিত সরকার কোটি টাকার বালু পানির দরে বিক্রি গৌরনদীতে চার শত লোকের হাতে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী তুলে দিলেন জেলা পরিষদের সদস্য হারুন হাওলাদার কেশবপুরে আরও এক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন স্বপ্ন মৎস্য প্রকল্পের মৎস্যজীবিদের মাথায় হাত নড়াইলে লকডাউন কার্য্যকর করতে অভিযান চালিয়েছে এসপি প্রবীর কুমার রায় গৃহনির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এডিসি মারুফুল আলম পাইকগাছায় করোনা প্রতিরাধ বিষয়ক পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার অপরাধে আটক-১ বিএফএ-এর পক্ষ থেকে পাবনা জেলা প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান ফুলবাড়িয়ায় কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ও তার বাবাকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
আশুলিয়া “ডেথ জোন-আতংকের জনপদ” বাড়ছে কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাস

আশুলিয়া “ডেথ জোন-আতংকের জনপদ” বাড়ছে কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাস

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঢাকার শিল্পা ল আশুলিয়ায় প্রায়ই মানুষের লাশ উদ্ধার করেন আশুলিয়া থানা পুলিশ, সেই সাথে মাদক সেবন ও বিভিন্ন ব্যবসা জমজমাটভাবে চলছে, আর মাদকের টাকা জোগাড় করতে মাদক সন্ত্রাসীরা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও খুন করছে। জানা গেছে, গত ২০১৭ইং সালে ১১মাসে ১২৩ লাশ উদ্ধার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
ঢাকার “আশুলিয়া ডেথ জোন ও আতংকের জনপদ হিসেবে পরিণত হয়েছে” বলে অনেকেই এমন অভিমত প্রকাশ করেছেন। জনস্বার্থে যারা কাজ করবেন তারা যেন একজন অন্যজনের বদনাম না করেন, নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকাসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, জনগণ সচেতন হলে অপরাধমূলক কর্মকান্ড কমে যাবে বলে অনেকেই দাবি করেন। রাজধানীর নিকটবর্তী শিল্পা ল আশুলিয়ায় খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসা যেন অনেকটাই স্বাভাবিক ঘটনা আশুলিয়াবাসীর কাছে, গত ৯ জানুয়ারি ২০১৭ ইং একটি জাতীয় সংবাদপত্রে দেখা গেছে যে, (ডেথ জোন আশুলিয়া), দেখা যায়, ১১মাসে ১২৩টি লাশ উদ্ধার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। আবারও অপরাধমূলক কর্মকান্ড (ক্রাইম) বাড়ছে আশুলিয়ায়, কিছু পুলিশ সদস্য নিজেদের দোষ আড়াল করতে সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষকে আসামী করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে জনমনে।
জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া আহছানউল্লাহ মাদবর এর বাড়ি ও জিরাবো কোন্ডলবাগ পুকুরপাড় এলাকার ফজল হক কাজির বাড়িতে দুধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে, এক সপ্তাহের মধ্যে দুইটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। গত ১১অক্টোবর ২০২০ইং আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের মোল্লা বাড়ির সাইফুল ইসলাম মোল্লার বাড়ির ভাড়াটিয়া ১৩ বছরের এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়, এ ঘটনায় জড়িত ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণের পর অপহরণ করার অপরাধে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগীর বাবা, গত ৭ দিন হচ্ছে বাদীর মোবাইল নাম্বার বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। আজ ২৪ দিনেও ভিকটিম উদ্ধার হয়নি এবং একজন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেননি পুলিশ। গত শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২০ইং দুপুরে কাঠগড়া রোডের চিত্রশাইল ওহাব আলী মোল্লার বাড়ি থেকে মোছাঃ শাহিনুর (২১) এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আশুলিয়ায় এমন খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ নানারকম অপরাধমূলক কর্মকান্ড সংঘটিত হচ্ছে কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে থানায় মামলা হয় না, আর মামলা হলেও বেশিরভাগ আসামী গ্রেফতার হচ্ছে না। এদিকে ১৭ অক্টোবর ২০২০ইং সারাদেশের ন্যায় আশুলিয়ায় ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশং সভা করেছেন পুলিশ ও সচেতন মহল জনগণ, কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না অপরাধমূলক কর্মকান্ড।
অন্যদিকে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকার মানুষ বর্তমানে প্রভাবশালী মাদক সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং বাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, এর কারণে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকান্ড করেও প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে অপরাধীরা। ভুক্তভোগীরা ভয়ে থানায় মামলা করতে সাহস পায় না, আর মামলা করলেও বেশিরভাগ আসামী গ্রেফতার হয় না।
দেশের ৬৪ জেলার মানুষ কাজের সন্ধানে আশুলিয়ায় আসেন, এখানে বেশিরভাগ মানুষ বহিরাগত, ভুল নাম ঠিকানা দিয়ে অনেকেই শিল্প কারখানায় চাকরি বা কাজে যোগদান করেন, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে অপরাধীরা খুব সহজেই পালিয়ে যেতে পারে। যেমনঃ আশুলিয়ার রূপায়ন আবাসন ১নং গেটের পাশে হানিফের মেয়ে মাহফুজা আক্তার নাজমা (১৬), গণধর্ষণের পর মৃত্যু হয়। বিষয়টি রহস্যজনক-ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা না কি হত্যা? এ ব্যাপারে তদন্তে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংবাদ কর্মীদের অনেকই হয়রানির শিকার হয়েছেন, কারণ ভুল তথ্য দিয়ে চাকুরি নিয়ে ছিলেন নাজমা।
আশুলিয়ায় ৬ বছরের শিশুর ধর্ষণের বিচার চেয়ে ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন, মামলা নং ৩৫/৮৪৬, তারিখঃ ১৭/১০/২০১৯ইং। ধারা- ৯ (১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩: ধর্ষণ করার অপরাধ। নার্সারী ক্লাসে পড়ুয়া ওই ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করার পর ঘটনা জানাজানি হলে পরিবার নিয়ে পালিয়েছে ফরিদপুরের এক হিন্দু নরপশু। ওই নরপশুর নাম কেউ বলতে পারেনি, তবে তার স্ত্রীর নাম শ্রী অর্চনা রানী। এ ঘটনাটি ঘটেছে ২৮/০৯/২০১৯ইং, সকাল ৮ টার দিকে। এখানেও নাম ঠিকানা ভুল।
অন্যদিকে আশুলিয়ায় গার্মেন্টস কর্মী-মা, বাবা রাজমিস্ত্রির কাজ করেন, তারা আশুলিয়ার ধনাইদ, ইউসুফ মার্কেট এলাকার মৃতঃ হাবিবুর রহমান হবি’র ছেলে মোঃ হেলাল উদ্দিন মন্ডল (৩৬) এর বাসায় ভাড়া থাকতেন। ভাড়াটিয়া স্বামী /স্ত্রী বাসায় না থাকায় তাদের মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীর স্কুল পড়–য়া ছাত্রীকে হেলাল উদ্দিন তার নিজের বাসার রুমে ডাকিয়া নিয়া রুমের দরজার ছিটকারী লাগাইয়া দেয়, তার রুমে থাকা খাটের উপর শোয়াইয়া মেয়েটির পায়জামা খুলিয়া তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে মেয়েটি জানায়। এ ব্যাপারে (৮) বছরের মেয়ে ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন, মামলা নং ৩৬/৮৪৭, তারিখঃ ১৭/১০/২০১৯ইং। বাদী জানান, তার মেয়েকে হেলাল উদ্দিন ধর্ষণ করেছে। তিনি বলেন, আমার মেয়ের ধর্ষণকারীর কঠিন শাস্তি চাই। স্থানীয়রা জানান, গত ১৩/১০/২০১৯ইং সকাল ১১টার দিকে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, এলাকার লোকজন বলছেন, বিবাদী হেলাল উদ্দিন স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস করেনা, এ ঘটনাটি মিমাংসা করার চেষ্টা করে বাদী পক্ষকে বিভিন্ন ভাবে ভয় দেখায় হেলাল উদ্দিন। স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি রহস্যজনক, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ধর্ষণের এ বিষয়ে মিমাংসার চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় গত ৫ জানুয়ারি ২০১৯ইং তারিখ সন্ধ্যাা ৭টার দিকে মোছাঃ মাহফুজা আক্তার নাজমা (১৬) ইয়ার্গী বাংলাদেশ লিঃ গার্মেটস ফ্যাক্টরী থেকে অফিস ছুটির পর তার পরিচিত চাচা রহিম নামের একজন তাকে ডেকে নিয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে ৫-৬ জনের এক দল ছিনতাইকারী তাদেরকে একটি বাউন্ডারীর ভিতরে নিয়ে যায়, সেখানে আরও বিবাদীদয় পূর্ব থেকে অবস্থান করে, তারা নাজমার গলায় থাকা সোনার চেইন, কাছে থাকা কিছু টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে একাধিক ব্যক্তি নাজমাকে গণধর্ষণ করে বলে এমন অভিযোগে নাজমা নিজে বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় প্রথমে অভিযোগ করেন, আশুলিয়া থানায় এ অভিযোগের প্রথম তদন্ত করেন এসআই মোঃ বদরুজ্জামান, ওইদিন মামলা না নেয়ায়, বিচার না পেয়ে ধর্ষিতা নাজমা দুইদিন পর ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে অনেকেই জানান। নাজমার বাবা ও তার পরিবারের লোকজনের দাবি, গণধর্ষণের ঘটনায় অসুস্থ্য হয়ে নাজমার মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই জানান, নাজমার বাবা একজন অর্থলোভী মানুষ, কম বয়সী কিশোরী মেয়েকে পোশাক কারখানায় কাজে দিয়ে সে নিজেও অপরাধ করেছেন, সেই সাথে ইয়ার্গী বাংলাদেশ লিঃ পোশাক কারখানায় শিশু শ্রম আইনকে অমান্য করে নাজমার চাকুরি দিয়ে অপরাধ করেছে। নাজমার অভিযোগসূত্রে জানা যায়, নাজমা সুইং অপারেটর হিসাবে কর্মরত ছিলেন। (১৬) বছরের নাজমা অপারেটর হয়েছিলেন। তাহলে ১৩-১৪ বছরে সে কাজে যোগদান করেছেন। অনেকেরই প্রশ্নঃ কম বয়সের মেয়েটির কি অপরাধ ছিলো যে, কাজ করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হতে হলো? কেন অকালে মৃত্যু হলো তার?, এর জন্য দায়ী কারা? নাজমার মৃত্যুর পর এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় মামলা রেকর্ড হয়, ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ৫ জনকে আসামী করা হয়। রহিম নামের একজনকে জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন এবং রিপন নামের একজনের লাশ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ বিরুলিয়া এলাকা থেকে। তাকে হত্যা করা হয়েছে না কি পুলিশ বা র‌্যাব পিটিয়ে মেরেছে? তা এখন পর্যন্ত কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারে না এই মৃত্যুর কাহিনী। এরপর র‌্যাব-১ এর বিশেষ একটি দল শিপন নামের এক জনকে আটক করে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করে। নাজমার বাবার নাম আবু হানিফ, কিন্তু কিভাবে নাজমুল নাম হলো, নাজমার চাকরির বয়স দুইবছর, মৃত্যুর সময় বয়স (১৬), তাহলে পুরো বিষয়টি আবার তদন্ত করা হলে কেচু খুঁজতে সাপের সন্ধ্যান মিলবে বলে অনেকেই জানান। এ ব্যাপারে ঢাকার আশুলিয়া থানার মামলা নং ১০। তারিখঃ ৭/০১/২০১৯ইং।
গত ১ জুলাই ২০২০ইং আশুলিয়ার খেজুরটেক হালিমা (২৭), এর মেয়ে (১৩) সুন্দরীকে স্থানীয় গেদু মিয়ার ছেলে আব্দুল কাদের (২৫) বিয়ে করবে বলে ধর্ষণ করে, এতে অন্তঃসত্ত্বা হলে আবার হুমকির মুখে পেটের বাচ্চা নষ্ট করা হয়, এ ঘটনার বিচার করার জন্য অভিযুক্ত কাদেরের মামা জুয়েল রানা ওরফে রহিম ও তার ভাগিনা এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে যা খুশি তাই করছে। গণমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায়,স্কুল কলেজের ছাত্রীসহ বিভিন্ন নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের ঘটনা ঘটছে, আশুলিয়ায় প্রায়ই লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। বাগান বাড়ীর অন্তঃসত্ত্বা হনুফার লাশ উদ্ধার, আসামী খোরশেদকে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার, এরপর পুকুর থেকে রেবেকা বেগমের লাশ উদ্ধারের পর র‌্যাব কর্তৃক আসামী গ্রেফতার। পুলিশ ও র‌্যাবের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে আর অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদেরকে আটক করবেই, তাদের দাবি অপরাধী সে যেইহোক না কেন তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। উক্ত ব্যাপারে পুলিশ ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD