বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ১২:২৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
শাজাহানপুরে মাদক ব‍্যবসায়ী নল্লে গ্রেফতার কেশবপুরে একজন সাংবাদিকসহ করোনা পজিটিভ ১০ জন ব্যক্তি মহেশপুরে শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক ডিটুলের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল ও স্মৃতি চারণে স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত। পাইকগাছায় জেলা বিএনপির উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতে মাদকাসক্ত এক যুবককে ৬ মাসের জেল পাইকগাছায় আইনজীবিদের সাথে ওসির মতবিনিময় রাজশাহীসহ তিন অঞ্চলের শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে এসাইনমেন্ট বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত। সিরাজদিখানে অবৈধ পার্কিংয়ের দায়ে ৩৬টি অটোরিকশা আটক হবিগঞ্জের অলিপুর প্রাণ কোম্পানির শ্রমিকের মৃত্যু বরগুনার তালতলীতে সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত
হরিণাকুন্ডুতে এক পরিবারে সবাই প্রতিবন্ধি মাথা গোঁজার ঠাই নেই

হরিণাকুন্ডুতে এক পরিবারে সবাই প্রতিবন্ধি মাথা গোঁজার ঠাই নেই

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥
শাহাদত মন্ডল শারীরিক প্রতিবন্ধি। বয়সের ভারে ন্যুয়ে পড়েছেন। কাজ করতে পারেন না। তারপরেও পরিবারের অপর ৩ প্রতিবন্ধি সদস্যদের জন্য কাজ করতে হয়। ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুু উপজেলার ৪নং দৌলতপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের একই পরিবারে ৪ জন প্রতিবিন্ধ রয়েছে। সবার প্রতিবন্ধি ভাতার কার্ড থাকলেও রাতে মাথাগোঁজার ঠাই নেই। ভাঙ্গাচোরা বাড়িতে তাদের বসবাস। তথ্য নিয়ে জানা গেছে শাহাদত মন্ডলের ছেলে শহিদুল ইসলাম, খালা হাসিরন নেছা ও ছোটখালা কুলসুম সবাই প্রতিবন্ধি। এদের মধ্যে একজন শারীরিক ও তিনজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধি। শাহাদত মন্ডল জানান, আমি একজন অসহায় গরিব মানুষ। ঠিকমত চলতে পারি না। পায়ে সমস্যা। নিরুপাই হয়ে খোড়া পা নিয়ে ভ্যানগাড়ী চালিয়ে সংসার চালাতাম। বয়সের ভারে তাও পারি না। এখন ঝুড়ি বুনিয়ে সংসার চালাতে হয়। ঝুড়ি বিক্রি না হলে অনাহারে দিন কাটে। তিনি বলেন আমার দৈনিক আয় দুই শত টাকা। বর্তমান বাজারে এই টাকা দিয়ে কিছুই হয় না। ফলে খুব কষ্ট আমার দিন কাটে। তিনি বলেন আমার কোন ঘরবাড়ী নেই। শুনেছি প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের বাড়ী তৈরী করে দিচ্ছেন। যদি তিনি একটি আমার ঘর করে দিতেন তবে এই প্রতিবন্ধীদের নিয়ে বাকী জীবনটা পার করতাম। শাহাদত মন্ডল জানান, আমার পরিবারে আমিসহ চারজন প্রতিবন্ধী। এর মধ্যে শহিদুল, হাষিরণ ও কুলসুম সরকার থেকে ভাতা পায়। তাদের টাকা দিয়ে সংসার চলে। পরিবারটির ভাষ্য, অনেক সচ্ছল পরিবারকে সরকারী ঘর করে দেওয়া হচ্ছে। অথচ আমাদের ঘর হয় না। আমরা টাকা দিতে পারি না বলে আমাদের কেও ঘর করে দেয় না বলে প্রতিবন্ধি পরিবারটি মনে করেন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা সৈয়দা নাফিস সুলতানা জানান, ঘটনাটি আসলেই মর্মান্তিক। একই পরিবারে চারজন প্রতিবন্ধি এটা আমার জানা ছিল না। তিনি বলেন এই পরবিারের কথা কেও আমাকে বলেনি। তিনি খোঁজ নিয়ে ব্যাবস্থা নিবেন বলে জানান।

আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ।।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD