সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে সমঝোতায় সুবিধা নিলো ঠিকাদার রাজস্ব বঞ্চিত সরকার কোটি টাকার বালু পানির দরে বিক্রি গৌরনদীতে চার শত লোকের হাতে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী তুলে দিলেন জেলা পরিষদের সদস্য হারুন হাওলাদার কেশবপুরে আরও এক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন স্বপ্ন মৎস্য প্রকল্পের মৎস্যজীবিদের মাথায় হাত নড়াইলে লকডাউন কার্য্যকর করতে অভিযান চালিয়েছে এসপি প্রবীর কুমার রায় গৃহনির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এডিসি মারুফুল আলম পাইকগাছায় করোনা প্রতিরাধ বিষয়ক পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার অপরাধে আটক-১ বিএফএ-এর পক্ষ থেকে পাবনা জেলা প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান ফুলবাড়িয়ায় কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ও তার বাবাকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
সুন্দরগঞ্জে খড় না থাকায় কচুরিপানা এখন প্রধান গো খাদ্য

সুন্দরগঞ্জে খড় না থাকায় কচুরিপানা এখন প্রধান গো খাদ্য

মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
সুন্দরগঞ্জে গো খাদ্য না থাকায় কচুরিপানা এখন প্রধান গো খাদ্যে পরিনত হয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখে গেছে, গো খাদ্যের চরম সংকটের কারণে গরু মালিকদের নাভিশ্বাস উঠেছে। এসব এলাকায় প্রধান গো খাদ্য হিসেবে ধানের খড় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু এ বছর ঘনঘন বর্ষা ও দীর্ঘদিন বর্ষা স্থায়ী থাকায় অনেক আগেই গরু মালিকদের মজুত করা খড় শেষ হয়ে গেছে। এই সুবাদে কিছু সংখ্যক শ্রেণি পেশার মানুষ দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে খড় আমদানি করে চড়া দামে বিক্রির মাধ্যমে লাভবান হয়েছে। প্রতি মন খড়ের দাম ৯ শ হতে ১ হাজার টাকা। তারপরও গরু মালিক ও গো খামারীরা মিলাতে পারছে না তাদের কাঙ্ক্ষিত ভাল খড়। যার কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন নদী ও বিলে ঝিলে কচুরিপানা সংগ্রহ করতে নেমে পড়েছে। অনেকে হাটু পানিতে, অনেকে কোমর পানিতে এবং আবার অনেকে গলা পানিতে নেমে পানা সংগ্রহ করছে। কেউ বস্তা ও ঘাড়ে করে, কেউ বাইসাইকেল যোগে, কেউ ভ্যান যোগে আবার কেউ ভটভটি যোগে পানা কেটে বাড়িতে এনে খাওয়াইয়া বাঁচাচ্ছে তাদের সংসারের সম্বল গরুগুলোকে। এনিয়ে শান্তিরাম ইউনিয়নের পশ্চিম পরাণ গ্রামের গরু মালিক সাইদার রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, পল(খড়) নাই একটুও। আট বিঘা জমির পল সব শেষ। বৃষ্টির কারনে গরু বাইরে বের করতে পারি নাই। তাই এবার তাড়াতাড়ি পল ফুরাইছে। অগত্যা এজন্য পানা কাটি দুই বেলা গরুকে খাওয়াচ্ছি। এব্যাপারে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ফজলুল করিমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রাণী ও পশু খাদ্যের পুষ্টির পরিভাষায় কচুরিপানা কে অপ্রচলিত গো খাদ্য বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগকালীন গো খাদ্য সংকটের কারনে কচুরিপানা খাওয়ানো হয়। তবে খাওয়ানোর আগে অবশ্যই শিকড় কেটে আলাদা করে পানিতে ধুয়ে পরিস্কার করে শুকানোর পর খাওয়াতে হবে। তা না হলে গরুর পেটের পীড়া ও পাকস্থলীর সমস্যা হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD