বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
নড়াইলে ১৪৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ কেশবপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত এএসপি(মণিরামপুর সার্কেল) মামুনের মতবিনিময় সভা মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম‌্যান হাজী মোঃ বাচ্চু শেখ। পাইকগাছায় এক পুলিশ কর্মকর্তার ভাইয়ের দাপটে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ইউএনও বরাবর অভিযোগ পাইকগাছা প্রেসক্লাব উন্নয়নে এমপি’র এক লাখ টাকা অনুদান ; প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে অভিনন্দন পাইকগাছায় স্বাস্থ্য শিক্ষা সেবা প্যাকেজ কার্যক্রমের উদ্বোধন শার্শার বাগআঁচড়ায় করোনা ঝুকি থাকলেও কেউ মানছেন না স্বাস্থ্য বিধি কন্ঠশিল্পী মাছুম তালুকদারের “বাবা আমার বাবা” পটিয়ার ইদ্রিস চৌধুরী কোটিপতি হওয়ার রহস্য চুনারুঘাটে জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান
শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে সকলকে মৈত্রীময় শুভেচ্ছা জানান টিকো চাকমা

শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে সকলকে মৈত্রীময় শুভেচ্ছা জানান টিকো চাকমা

(রিপন ওঝা)

শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা-২০২০ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির সকল উপজেলার সকল ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি মৈত্রীময় আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেনঃসভাপতি টিকো চাকমা।

উক্ত মৈত্রীময় আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা বাণীতে উল্লেখ করেন, অ-সাম্প্রদায়িকতার মহাসূত্র ধর্ম যার যার উৎসব সবার। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা। ধর্ম যার যার উৎসব সবার, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্প্রীতির বন্ধন ঘটেছে, ভগবান বুদ্ধের বাণী অহিংসা পরম ধর্ম, এই বাণীকে বুকে ধারণ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বৌদ্ধ ধর্মানুসারীদের দ্বিতীয় প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা। এদিনে, গৌতম বুদ্ধ স্বধর্ম প্রচারের জন্য তার ভিক্ষু সংঘকে নির্দেশ দেন। এদিনে ভিক্ষুদের ত্রৈমাসিক বর্ষাবাসের সমাপ্তিও হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশক্রমে ও পালনে করণীয় বৈশ্বিক দূর্যোগ করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে কারণে এ বছর অ-নাড়ম্বরভাবে উৎসবটি উদযাপন করা হবে।খাগড়াছড়ির প্রতিটি উপজেলায় অগণিত বৌদ্ধ বিহারে শুরু হয় বৌদ্ধপূজা।

উক্ত অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীর মধ্যে বড়ুয়া, চাকমা, মারমা, রাখাইনসহ অনেকেই স্বঃ স্বঃ বিহারে সন্ধ্যায় ফানুস উড়াবে। দুই দিনব্যাপী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা শুরু হচ্ছে শনিবার। এ উপলক্ষ্যে বৌদ্ধদের ঘরে ঘরে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। বিহারগুলো সেজেছে নব রূপে। বর্ণিল আলোকসজ্জায় আলোকিত করা হয়েছে সর্বত্র। শনিবার ও রবিবার বিশ্বের শান্তি কামনায় রাখাইনদের আন্তরিক নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন কিছু তৈরি করে ভগবানের আর্শীবাদ পেতে মোমবাতি জ্বালিয়ে রিছিমি (কল্প জাহাজ) ভাসা উৎসবের আয়োজনও করা হয়। অনুষ্ঠানে নিজেকে রাঙিয়ে তুলতে চলছে কেনাকাটা। রবিবার পর্যন্ত বিহারগুলোতে ধর্মীয় প্রার্থনা, ফানুস ওড়ানো, হাজারো প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, পিঠা উৎসব, অতিথি আপ্যায়নসহ বিভিন্ন আয়োজন থাকবে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সকল বয়সী নতুন পোশাক ও উন্নতমানের খাবার নিয়ে বিহারে গমন করবেন। সেখানে সুখ-শান্তি ও মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি কামনায় প্রার্থনা করবেন সবাই। সকলের জীবন আনন্দমূখর হোক,সুস্থ থাকুন,নিরাপদে থাকুন, নিরোগ থাকুন এই শুভকামনা করি। সব্বে সত্ত্বা সুখিতা হোন্তু। জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক। দুঃখ থেকে মুক্তি লাভ করুক। অশান্তি বিশ্বে শান্তি বিরাজ করুক। জয় হোক বৌদ্ধ ধর্মের….সাধু সাধু সাধু।

প্রসঙ্গত যে, বৌদ্ধ ধর্মের সেই নিশান উড়িয়ে নিয়ে যেতেই আজ হতে আড়াই হাজার বছর পূর্বে গৌতম বুদ্ধ তার বুদ্ধত্ব লাভের পর আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত তিন মাস বর্ষাবাস শেষে প্রবারণা উৎসব পালন করেছিলেন। সেই থেকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বিশেষ করে বৌদ্ধ ধর্ম গুরুরা বর্ষাবাস শেষে প্রবারণা উৎসব পালন করে থাকেন। ভিক্ষুসংঘের ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রত শেষে আসে এ প্রবারণা তিথি। প্রবারণা হলো আত্মশুদ্ধি ও অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণের অনুষ্ঠান। প্রবারণা পূর্ণিমার পরদিন থেকে এক মাস দেশের প্রতিটি বৌদ্ধবিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব পালন করা হবে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমাতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে শুরু হয় হয় বৌদ্ধপূজা, পঞ্চশীল প্রার্থনা, শীল গ্রহণ ও প্রদীপ পূজা। পরের দিন থেকেই বিভিন্ন বিহারে পালিত হবে কঠিন চীবরদান উৎসব।
তাই বৌদ্ধ জাতিসহ সকল ধর্মের, বর্ণের, গৌত্রের নির্বিশেষে করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিজেকে নিয়ন্ত্রণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সরকার ঘোষিত বিধি ও নিষেধ পালন করে এই শুভ প্রবারণা পূর্ণিমার মহা উৎসবের মাঝে খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি টিকো চাকমা সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও জনগণদের প্রতি আন্তরিকতার সহিত মৈত্রীময় আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD