বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে করোনা প্রতিরোধ বুথ উদ্বোধন। মাস্ক ও করোনা নিবন্ধন ফরম বিতরন করলেন কারা পরিদর্শক লিটন স্বামী স্ত্রী ছেলে আলাদা আলাদা মাদক মামলায় গ্রেফতার। নাগেশ্বরীতে মসজিদে ইমামের ভুল ধরতে গিয়ে সমাজচুত্য ৭পরিবার আশুলিয়ার কাঠগড়ায় ইলিম হত্যার রহস্য কি-পুলিশ প্রশাসন নিরব ভুমিকা! সাংবাদিক ও লেখকদের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-অপপ্রয়োগ বন্ধে পরিবর্তন দরকার জাতীয় পরিচয়পত্র-জন্মনিবন্ধন সেবায় ভুক্তভোগীদের হয়রানির অভিযোগ! নওগাঁয় গত ২৪ ঘন্টায় আরও ২ ব্যক্তির মৃত্যু ঃ আক্রান্ত ৩৭ মান্দায় অসহায় পরিবারের উপর হামলা ছিনতাই ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগ পাইকগাছায় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১ আহত -২
দুল্লা ইউনিয়নকে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি উন্নত আধুনিক মডেল হিসাবে গড়তে চান আ’লীগ নেতা মালেক ।।

দুল্লা ইউনিয়নকে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি উন্নত আধুনিক মডেল হিসাবে গড়তে চান আ’লীগ নেতা মালেক ।।

ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার ১নং দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়ন কে মাদকমুক্ত, উন্নত সমৃদ্ধ ও দৃশ্যমান ইউনিয়ন হিসাবে উপহার দিতে চান ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজ সেবক আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে রাজপথের ত্যাগী ও সাহসী যোদ্ধা, কারা নির্যাতিত নেতা ও মেধাবী রাজনীতিবিদ মোঃ আব্দুল মালেক।

যিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া তৃর্ণমুলের একজন জনবান্ধব আওয়ামী লীগ নেতা। তৃর্ণমুলের একজন কর্মীই বুজবে তৃর্ণমুলের ব্যাথা বেদনা, সে কারণে প্রার্থী হিসাবে আলোচনায় রয়েছেন তিনি। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই বিভিন্ন রাজনেতিক সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে নেতৃত্ব দিয়ে সমাজ সেবায় ভূমিকা রেখে উপজেলা সমবায় দপ্তর কর্তৃক শ্রেষ্ঠ সমবায়ী ও সরকারের একট বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের সভাপতি হিসাবে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ সভাপতি হিসাবেও শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছেন। একাধারে একজন সমাজ পতি, রাজনীতিবিদ,এবং ক্রীড়া সংগঠকও বটে। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন ও উপজেলা আওয়ামিলীগের সদস্য পদে দায়িত্বে থেকে রাজনীতির পাশাপাশি মানুষের বিভিন্ন সুখে দুঃখে পাশে থেকে নিজেকে একজন জনবান্ধব কর্মী হিসাবে গড়ে তুলেছেন। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসাবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে ধারাবাহিক মতবিনিময়, লিয়াজো -যোগাযোগ রেখে মানুষের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশার পাশাপাশি দলকে তরান্নিত করার মাধ্যমে দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের গুনান্নিত এই কর্মী রাজপথে সাহসীকতার সাথে আন্দোলন লড়াই-সংগ্রামে রাজনীতিতে থেকে ইউনিয়নের বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর মানুষকে আওয়ামীলীগের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ করছেনল। তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল, মসজিদ,মাদ্রাসা ও মন্দিরের বিভিন্ন উন্নয়ন মোলক কাজে নিজ অর্থায়নে সহযোগিতা করাসহ হতদরিদ্র মানুষের সেবা করে যাওয়ার মাধ্যমে আওয়ামীলীগের ভাবমুর্তিকে উজ্জল করার চেষ্টা করছেন । সমাজ সেবায় তিনি ছাত্রজীবন থেকেই নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত হওয়ার পর থেকে প্রতিটি গ্রাম,ওয়ার্ড পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে প্রসারিত করতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন এ কর্মী। ফলে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম,ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে রয়েছেন তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা। দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনের আমেজ শুরু হওয়ার পর থেকে ইতি মধ্যেই তার পক্ষে শুরু হয়েছে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা,মতবিনিময় সভা ও গণসংযোগ। জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন দূরদর্শী কর্মী, শীর্ষ অন্যান্য নের্তৃত্বের অন্যতম কর্মী আব্দুল মালেক। তিনি মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ নেতৃত্ব পছন্দ করেন এবং নেতৃত্বের বিকাশ করতে জানেন ও ভালবাসেন। ইউনিয়নবাসীর মতে- আব্দুল মালেক একজন নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিক, দানশীল ব্যাক্তি, জন-দরদী, দরিদ্র অসহায় মানুষের বন্ধু, নি:স্বার্থ সমাজ সেবক, সহজ-সরল ও সাদা মনের মানুষ, ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ। তিনি বর্তমানে দুল্লা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে জনপ্রিয় সফল রাজনীতিবিধ। চলমান করোনা মহামারীতে মানুষ যখন ঘরবন্দী হয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছিলো ঠিক সেই সময় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সহস্রাধিক মানুষের মাঝে খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তাসহ স্বাস্থ্যসেবায় গণসচেতনতা গড়ে তুলেছেন জনবান্ধব এই কর্মী । বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু”র কন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শান্তি, গনতন্ত্র, উন্নয়ন অগ্রগতি দুর্নীতি ও মাদক মুক্ত রাষ্ট্র সমাজ বিনির্মাণে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ” গ্রাম হবে শহর ” বাস্তবায়নে আর্থসামাজিক গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার উন্নয়নে প্রচুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে আব্দুল মালেকের মতে- দুল্লা ইউনিয়নে বর্তমান সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কে এম খালিদ বাবুর মাধ্যমে ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন কাজের বাস্তবায়ন হয়েছে । ইউনিয়নের কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন-আমার ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট বিগত দিনে যেমনটি ছিল, বর্তমানে তার চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে।আমি ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে অত্র ইউনিয়নকে একটি পরিকল্পিত উন্নয়নের রুল মডেল হিসেবে জনগণের নিকট তুলে ধরব। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উদ্যোগ গ্রহণ করব। কর্মসৃজন কর্মসংস্থান প্রকল্পসহ গ্রামীণ অবকাঠামোগত সংস্কার উন্নয়ন অর্থ্যাৎ সকল রাস্তাঘাট পাকাকরণ, পুল কালবার্ড ব্রীজ নির্মাণ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রতিযোগীতামূলক খেলাধুলার চর্চা, বাল্য বিবাহ বন্ধসহ নারী জাগরণে উদ্যোক্তা সৃষ্টি, বেকারদের কর্মসংস্থান, দূর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গঠন, শতভাগ বয়স্ক বিধবা প্রতিবন্ধী ভাতা বিতরণ, ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দুল্লা ইউনিয়নে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির উন্নত, আধুনিক দৃশ্যমান মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। তিনি বলেন- উপজেলা আওয়ামিলীগ, জেলা আওয়ামিলীগ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দল যদি আমাকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দান করেন, আমি আমার সাংগঠনিক কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিষ্ঠার সাথে দল,এলাকা ও দেশের জন্য কাজ করব এবং তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখতে পারব বলে মনে করি এবং নির্বাচনে জয়ী হয়ে জনগণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন গঠাবো । তৃর্ণমুলের কর্মী হিসাবে আমিই বুজবো তৃর্ণমুলের নেতা-কর্মীদের দুঃখ-বেদনা। তাই সব কিছু বিবেচনা করে দল তাকে মনোনয়ন দিবে বলেও তিনি বিশ্বাস করেন।
বঙ্গবন্ধর আদর্শের সৈনিক রাজপথ কাপানো এই কর্মী ১৯৯০ সালে সৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে মরহুম ফজলুল হক (দুদু) ও মরহুম এড.শামসুল হকের নেতৃত্বে আন্দোলন করতে গিয়ে ৪ঠা ডিসেম্বর গ্রেফতার হয়ে ৫ তারিখে থানা থেকে অব্যাহতি পান কারা নির্যাতিত হন।পরবর্তীতে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সৈরাচার মুক্ত দেশ গঠন হয়।১৯৯১ সালের নির্বাচনে ৯৩,৯৪,৯৫ সালে বার বার কারা নির্যাতিত হন, শুধু তাই নয় ২০০১ সালে বি এন পি জামাত জোট সরকার আমলে আরও দুই বার কারা নির্যাতিত হন । বর্তমানে দুল্লা ইউনিয়ন আগের চেয়ে উন্নয়নে এগিয়ে আছেন বলে মনে করেন তিনি। তাই চলমান এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় সকলের দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD