মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০১:২৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
নড়াইলে মাসিক কল্যাণ সভায় সন্মাননা স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করলেন এসপি প্রবীর কুমার রায়। সুজানগর-চিনাখড়া সড়কের বেহাল দশা শাজাহানপুরে চার মাস পর বন্দিদশা থেকে মুক্ত হলেন গৃহবধূ বাজারে বিক্রি হচ্ছে রাসায়নিকযুক্ত আম নেই কোনো প্রশাসনিক নজরদারি গাজীপুর মহানগরে ২২ নং ওয়ার্ডে কিশোর গ্যাং, মাদক বিরোধী সভা অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জ রঙ্গশ্রী ৬ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় সাধারন সদস্য প্রার্থী নাজমা’র ভ্যান গাড়ি মার্কার প্রচার-প্রচারণায় এলাকাবাসী। ক্ষেতলালে বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধীর টাকা ভূতুড়ে একাউন্টে জগন্নাথপুরে মাসুম হত্যার ঘটনায় কাউন্সিলর সাফরোজকে মামলায় অর্ন্তভূক্ত করা ও আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন রামখানা ইউপির সার্বিক উন্নয়নের প্রত্যয় আবু বক্কর সিদ্দিকের বেগমগঞ্জে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক ১
গোদাগাড়ীতে মোফা কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

গোদাগাড়ীতে মোফা কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

রাজশাহী প্রতিবেদকঃ রাজশাহীর বহুল আলোচিত ২ নং ওয়ার্ডের ২ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর মোফাজ্জল হোসেন (মোফা)কে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে, মুক্তি চেয়ে মানববন্ধন করেছেন এলাকার কয়েক নারী, পুরুষ, কিশোর, কিশোরী ছাত্র, কৃষকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।

২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে গোদাগাড়ীর ফিরোজ চত্তরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন এলাকা বাসী। এ মানববন্ধন থেকে বক্তরা জোরালো ভাবে বলা হয়েছেন কাউন্সিলর মোফাজ্জল হোসেন (মোফা) কোন মাদক ব্যবসায়ী না,তাকে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে মাদক দিয়ে ফাঁসানো হয়ে, নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত আসামীদের গ্রেফতার করে বিচার করতে হবে। জনপ্রিয় কাউন্সিলার মোফার বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, তারা আরও বলেন, গত ৬ জুলাই দিবাগত রাত ৩টার দিকে মহিষালবাড়ি মহল্লায় কাউন্সিলর মোফাজ্জল হোসেন মোফার বাড়ির সামনে থেকে তাকে একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ ঘটনায় কাউন্সিলর মোফাজ্জল হোসেন সোমবার গোদাগাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। এতে চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। তারা হলেন- মাদারপুর মহল্লার মৃত মতিউর রহমানের স্ত্রী মুক্তি বেগম (৩৮), আবুল কাশেমের ছেলে আবদুর রহিম (২৬), শহিদুল ইসলামের ছেলে জয় (২২) এবং মিনা খাতুনের ছেলে নিরব আলী (২০)। তারা তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিলেন বলে কাউন্সিলর জিডিতে উল্লেখ করেছিলেন । গ্রেপ্তার হওয়া সোহেলও এদের নাম বলেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে দুইজন কাউন্সিলর মোফাজ্জলের বাড়ির ছাদে উঠে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ওপর স্কচটেপ মেরে দিচ্ছিলেন। আর বাড়ির সামনে পাহারায় ছিলেন সোহেল। প্রতিবেশি এক ব্যক্তি রাতে বাড়ির বাইরে গিয়ে এসব দেখতে পান। এ সময় তিনি সোহেলকে জাপটে ধরেন। তখন ছাদ থেকে লাফ দিয়ে অন্য দুইজন পালিয়ে যান। এরপর রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আটক সোহেলকে থানায় নিয়ে যায়। পরদিন সোমবার দুপুরে তাকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ এমরানুল হকের সামনে হাজির করা হলে সোহেল নিজের দোষ স্বীকার করেন। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এমরানুল হক তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে পুলিশ তাকে কারাগারে পাঠায়।
কাউন্সিলর মোফাজ্জল হোসেন মোফা বলেছিলেন, সম্প্রতি নিরবের মা মিনা খাতুন তার বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। এরপর থেকেই তিনি তাকে ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে আসছিলেন। আতঙ্কে গেল শুক্রবার তিনি বাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসান। এরপর রাতে মিনারই লোকজন তার বাড়িতে মাদকদ্রব্য ফেলতে গিয়েছিল। সিসি ক্যামেরা দেখে তারা প্রথমে সেটির ওপর স্কচটেপ বসাচ্ছিল। তখনই এলাকাবাসী একজনকে আটক করে। কিন্তু মাদকদ্রব্য নিয়ে অন্য দুইজন পালিয়ে যায়।
কাউন্সিলর মোফাজ্জল তার জিডিতে উল্লেখ করেছিলেন, তার বাড়িতে মাদকদ্রব্য ফেলে দেয়ার প্রথম প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও মিনা, মুক্তি, রহিম, জয় ও নিরব তাকে হুমকি দিয়েছেন, যে কোন মূহুর্তে তাকে ফাঁসানো হবে। এতে তিনি আতঙ্কিত। তিনি অভিযুক্তদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিনার বাড়ি ময়মনসিংহ। তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ময়মনসিংহে তার নামে মাদকের মামলা আছে। মাদক ব্যবসার সুবাদেই গোদাগাড়ীতে তার বিয়ে হয়। মিনার ভাই মুন্না আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। আরেক অভিযুক্ত মুক্তির স্বামীও গোদাগাড়ীতে নিহত হয়েছেন বন্দুকযুদ্ধে। স্বামীর মৃত্যুর পর মুক্তি নিজেই এখন সামলাচ্ছেন মাদকের কারবার বলে জিডিতে উল্লেখ করেছিলেন।

গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি খাইরুল ইসলাম বলেন, যাদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি হয়েছে তারা মাদকের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু মাদকসহ তাদের হাতেনাতে আটক করা যায় না। কাউন্সিলরের বাড়ির সামনে একজন আটক হলেও তার কাছে মাদক পাওয়া যায়নি। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, যারা পালিয়ে গেছেন তাদের কাছে হেরোইন ছিল। কাউন্সিলরও তা দাবি করছেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ অনুসন্ধান করছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাজশাহী জেলা প্রতিবেদক
রাজশাহী।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD