সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে সমঝোতায় সুবিধা নিলো ঠিকাদার রাজস্ব বঞ্চিত সরকার কোটি টাকার বালু পানির দরে বিক্রি গৌরনদীতে চার শত লোকের হাতে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী তুলে দিলেন জেলা পরিষদের সদস্য হারুন হাওলাদার কেশবপুরে আরও এক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন স্বপ্ন মৎস্য প্রকল্পের মৎস্যজীবিদের মাথায় হাত নড়াইলে লকডাউন কার্য্যকর করতে অভিযান চালিয়েছে এসপি প্রবীর কুমার রায় গৃহনির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এডিসি মারুফুল আলম পাইকগাছায় করোনা প্রতিরাধ বিষয়ক পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার অপরাধে আটক-১ বিএফএ-এর পক্ষ থেকে পাবনা জেলা প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান ফুলবাড়িয়ায় কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ও তার বাবাকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের প্রতারণার শিকার রোগী অপারেশন না করেই বাড়ি ফেরৎ

সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের প্রতারণার শিকার রোগী অপারেশন না করেই বাড়ি ফেরৎ

ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ-
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক সার্জারী) ডাঃ মোঃ মনিরুল ইসলামের প্রতারণার স্বীকার হয়ে হাফিজুর রহমান নামে এক রোগী সর্বশান্ত হয়েছেন। ৬ মাস চিকিৎসা শেষে অপারেশন করার প্রতিশ্রæতি দিয়েও সরকারী হাসপাতালে অপারেশ করেন নি। অবশেষে বিভিন্ন অজুহাত আর তালবাহানা করে অপারেশন না করে রোগীকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। হাফিজুর রহমান শৈলকুপা উপজেলার বিষ্ণুদিয়া গ্রামের দিয়ানত আলীর ছেলে। হাফিজুর রহমানের পিতা মোঃ দিয়ানত আলী শেখ অভিযোগ করেন, আমার ছেলে মোটর সাইকেল এক্সিডেন্ট করার পর ঝিনাইদহ ফিরোজ ডায়াগষ্টিক সেন্টারে ডা. মোঃ মনিরুল ইসলামের তত্বাবধানে দীর্ঘ ৬ মাস চিকিৎসা গ্রহন করেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চলতে থাকে। চিকিৎসাকালে ডাক্তার জানান প্রাইভেট ক্লিনিকে অপারেশন করাতে হলে ৩৬ হাজার টাকা আর সরকারি হাসপাতালে করলে ২৬ হাজার টাকা লাগবে। রোগীর পিতা জানান, আমাদের অর্থ সংকট থাকায় ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে অপারেশনের জন্য আমার ছেলেকে গত ১০ সেপ্টেম্বর ভর্তি করি। সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর ডাক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দেয় হাফিজুর রহমানের অপারেশন কোথায় কিভাবে হয় সেটি আমি দেখে নেব। ডাক্তারের এই হুমকি দেওয়ার পর তিনি সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ককে বিষয়টি জানান। তত্বাবধায়ক ওই ডাক্তারকে ডেকে অপারেশনের জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় তত্বাবধায়কের অনুরোধ উপেক্ষা করে আমার ছেলেকে অপারেশন না করেই অন্যত্র রেফার্ড করার চেষ্টা করেন। তখন আমি নিরুপায় হয়ে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) আমার ছেলেকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে যায়। দিয়ানত শেখ আক্ষেপ করে বলেন, সরকারি হাসপাতালে যদি মানুষ সেবা না পায় তাহলে কোথায় গিয়ে সেবা পাবে? ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল কমিউনিটি সাপোর্ট কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক পৌরসভার চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান খোকা বলেন, ডাঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম সুপাররেন্টেডেন্ট সাহেবের কথাও রক্ষা করেনি। এটা দুঃখজনক। এব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক সার্জারী) ডাঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম মুঠোফোনে রাগান্বিত কন্ঠে বলেন, হাফিজুর রহমান নামের কোন রোগিকে আমি কোন চিকিৎসা দেয়নি। তাকে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হবে। আমার কাছে এ রোগীর কোন চিকিৎসা নেই।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD