সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
এড. সুজার মৃত্যুতে জাপার রাজনীতিতে যে শূণ্যতার সৃষ্টি হলো তা পূরণীয় হবার নয়- রওশন এরশাদ।। কালিহাতীতে পিকনিকের নৌকা থেকে নদীতে পড়ে ঘাটাইলের যুবক নিখোঁজ মধুপুরে আকাশী ফুলবাড়ী মোড় হতে রানিয়াদ ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কের বেহাল অবস্হা শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নির্দেশনায় মুন্সিগঞ্জে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রলীগ। আশুলিয়ায় চার মাদক ব্যবসায়ী ও মিরপুরে ৩৭জুয়ারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব! নড়াইলে অবসরে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের সন্মাননাসহ সুসজ্জিত গাড়িতে করে বিদায় জানালো, এসপি প্রবীর কুমার রায় খুলনার পাইকগাছায় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় স্মারকলিপি প্রদান প্রশাসনের মাইকিং অমান্য করে পাইকগাছার চাঁদখালীতে লকডাউনের মধ্যে গরুর হাট বসানোর অভিযোগ পাইকগাছায় ভাঙ্গা মাটির ঘরে তপন বিশ্বাসের মানবেতর জীবন যাপন পাইকগাছায় ৫ জুয়াড়ি আটক : থাানায় মামলা
শৈলকুপায় জমি আছে ঘর নাই প্রকল্প হতদরিদ্রদের মাঝে নতুন করেবেঁচে থাকার স্বপ্ন

শৈলকুপায় জমি আছে ঘর নাই প্রকল্প হতদরিদ্রদের মাঝে নতুন করেবেঁচে থাকার স্বপ্ন

ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ
সাবানা খাতুনকে বিয়ে করে স্বামী রাব্বি ইসলাম ঘরজামাই থাকতেন শৈলকুপার বিজুলিয়া গ্রামে। কারণ তার বাড়ি হিতামপুর গ্রামে এক টুকরো জমি থাকলেও ঘর ছিল না। ঘর করার মতো সামর্থও তার নেই। হতদরিদ্র রাব্বি ইসলাম জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পের আওতায় একটি বাড়ি পাচ্ছে। স্ত্রী সন্তান নিয়ে নিজের বাড়িতে এবার বসবাস করতে পারবেন। স্ত্রী সাবানা খাতুন নিজের দালান ঘর হচ্ছে এই ভেবে পুলকিত। শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের বদন্যতায় হিতামপুর গ্রামে স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে পারবে। সাবানা-রাব্বি দম্পত্তির মতো শৈলকুপায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে আশ্রায়ন-২ প্রকল্পের অধীন ৩৭টি পরিবার ঘর পাচ্ছে। এতে সরকারের ব্যায় হচ্ছে ৪৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। শৈলকুপার মনোহরপুর, নাকোল, দিগনগর ও কাঁচেরকোলসহ বিভিন্ন এলাকায় হতদরিদ্রদের জন্য নির্মিত স্বপ্নের বাড়ি নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছে। সুত্র জানায়, প্রতিটা ঘর তৈরী করতে ১ লাখ ২০ হাজার ব্যায় ধরা হয়েছে। ১৫% ভ্যাট কেটে যা থাকে তাই প্রাক্কলিত ব্যায়। সেই টাকা দিয়ে সুচারু করে নির্মিত হচ্ছে গরীবের ঘর। শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, সাংবাদিকদের নিয়ে জমি আছে, ঘর নাই প্রকল্পের চলমান কাজ পরিদর্শন করে আমি খুবই সন্তষ্ট। প্রতিটি ঘর মূল ডিজাইন ঠিক রেখে উন্নতমানের ইট, বালি, সিমেন্ট ও ৪৬ মিলি রঙ্গিন টিন দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি চেষ্ঠা করেছি, এই টাকার মধ্যে কাজের গুনগত মান ঠিক রেখে ভাল একটা ঘর উপকারভোগীদেরকে উপহার দেয়া। তিনি জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আমি বাধার সম্মুখিন হচ্ছি। অবাধ তথ্য প্রবাহের সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ ফেসবুক ও অনলাইনে মিথ্যাচার করছে। তারা কাজের গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তারপরও বলবো এক্ষেত্রে আমি সফল। শৈলকুপাবাসি ও এখানকার সংবাদকর্মীরা আমার সাথে আছে। তিনি মনে করেন, সমাজে কিছু মানুষ আছে, যারা পরনিন্দা বা অন্যের সমালোচনা করে নিজেকে মহান মনে করে। যেখানে কোন ছিদ্র নেই, সেখানে ছিদ্র বের করাই হলো তাদের কাজ। এসবকে আমি আর্শিবাদ বলে মনে করছি।

ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD