শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
রাণীনগরে মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে কলেজ ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ

রাণীনগরে মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে কলেজ ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর রাণীনগরে মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে আউয়াল (১৬) নামে এক কলেজ ছাত্রকে বেধরক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের ঘটনাটি বৈঠকের মাধ্যমে চিকিৎসা বাবদ আট হাজার টাকায় ধামা-চাপা দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার একডালা গ্রামে।
স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, উপজেরার একডালা পূর্বপাড়া গ্রামের আলাউদ্দীনের ছেলে আউয়ালসহ কয়েকজন বন্ধু মিলে ওই গ্রামে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে পিকনিক করে। ওই সময় একই গ্রামের ফাইম নামের এক বন্ধুর একটি এ্যাড্রয়েট মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে ফাইমের পরিবারের লোকজন ও গ্রামের কতিপয় মাতাব্বরা স্থানীয় একজন গনকের স্বরনাপন্ন হলে মোবাইল ফোনটি আউয়াল চুরি করেছে বলে জানায়। এঘটনার সুত্র ধরে মনোহরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক একই গ্রামের লুৎফর রহমান ও তার একজন সহযোগি গত বুধবার বিকেলে কৌশলে আউয়ালকে ডেকে নেয়। এসময় সাখাওয়াত হোসেন বাবুলের বাড়িতে ঘরে তুলে মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে লাঠি ও পাইপ দিয়ে বেধরক নির্যাতন করে। এতে আউয়াল অসুস্থ্য হয়ে পরলে তাকে চিকিৎসকের নিকট নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করা হয়। এঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। পরে ঘটনাটি ধামা-চাপা দিতে শুক্রবার রাতে বৈঠক কওে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা বাবদ আট হাজার টাকা খরচ দিয়ে এবং অতিরিক্ত টাকা লাগলে দেয়া হবে এমন আস্বাসে সমাধান করা হয়।
এব্যাপারে নির্যাতনের শিকার কলেজ ছাত্র আউয়ালের বাবা আলাউদ্দীন বলেন,আমি ঢাকায় থাকি। ছেলেকে নির্যাতনের কথা শুনে শুক্রবার বাড়িতে এসেছি। রাতে বৈঠক বসে চিকিৎসা বাবদ খরচ প্রাথমিকভাবে আট হাজার টাকা দিয়েছে এবং আরো লাগলে দেয়া হবে এমন আস্বাসের প্রেক্ষিতে মিমাংসা করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ছেলেকে চিকিৎসা দিতে ঢাকায় নিয়ে গেছেন বলে মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন তিনি ।
বৈঠকে উপস্থিত মাতাব্বর সাখাওয়াত হোসেন বাবুল বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমার বাড়ীতেই বসে চিকিৎসা বাবদ কিছু খরচ দিয়ে সমাধান করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক লুৎফর রহমান বলেন, মোবাইল চুরি করেছে এমন সন্দেহে আউয়ালকে চর-থাপ্পর দিয়েছি । তবে চিকিৎসা বাবদ কিছু খরচ দিয়ে শুক্রবার সমাধান করা হয়েছে।
রাণীনগর থানার ওসি মো: জহুরুল হক বলেন, এব্যাপারে আমার কাছে কেউ আসেনি বা আমাদেরকে কেউ জানায়নি।#

রওশন আরা পারভীন শিলা
নওগাঁ জেলা বিশেষ প্রতিনিধি।।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD