রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
দোয়ারায় স্বীর স্বী-কৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে স্ত্রীর আমরণ অনশন

দোয়ারায় স্বীর স্বী-কৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে স্ত্রীর আমরণ অনশন

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে স্ত্রীর স্বীকৃতি চেয়ে প্রেমিক স্বামীর বাড়িতে আমরণ অনশন করছে একজন নারী। শুক্রবার সকাল ১২ টা থেকে অনশন শুরু করেছেন তিনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী পুলিশ কনস্টেবল সফিকুলের নিজ বসত বাড়িতে হাজার হাজার উৎসুক জনতা (নারী পুরুষ) ভীড় জমিয়েছে।

জানা গেছে, দিরাই উপজেলার উদয় পুর ভাটি পাড়া গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের মেয়ে রিনা আক্তার। দোয়ারবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের রসরাই গ্রামের আব্দুল আলী পুত্র পুলিশ কনস্টেবল শফিকুল ইসলাম (২৫)মধ্যে ফেসবুকে পরিচয়ের সুবাধে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্পর্কের এক পর্যায়ে দুজনের সম্মতিতে সুনামগঞ্জ জামতলা কাজী অসিসে ৩ লাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তারা। কাবিন নামা অনুযায়ী ০৯-০২-২০২০ ইং তারিখে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের ৮ মাস সংসার ও মেলামেশা করলেও পরে শফিকুল ইসলাম আর কোন খোজঁ খবর নেয়না বা স্ত্রীর স্বীকৃতি বা মর্যাদা দিতে অস্বীকার করে। তাই স্বামীর বাড়িতে রিনা আসলে তাকে মারপিট ও তার সাথে থাকা মোবাইল ফোন ব্যাগ ভর্তি কাপর, ও নগদ টাকা হাতিয়ে নেয়। স্বামীর বড় ভাই হাবিব মিয়া।

ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, আমার সাথে ফেইসবুকে পরিচয় হয়।লেখাপড়া চলাকালীন অবস্থায় দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।গত ৮ মাস যাবত সে আমার কোন খোঁজ খবর নেয়না। আমি গোপনে জানতে পেরেছি, শফিকুল ইসলাম আমাকে ছেড়ে বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখছে। উপায়ন্তর না পেয়ে আমি স্ত্রীর দাবিতে শফিকুলের বাড়িতে আমরণ অনশন করবো। আমাকে হয় মেনে নেবে নয়তবা আমি মৃত্যুবরণ করবো। প্রশাসন সহ প্রধান মন্ত্রীর নিকট আমার স্বামী পুলিশ সদস্য সফিকুলের বিচার কামনা করি।

এ ব্যাপারে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে শফিকুল ইসলাম বলেন আমি বর্তমানে সিলেটের জকিগঞ্জ থানায় কর্মরত। আমাকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, আমরা সকাল থেকে দেখছি, একটি মেয়ে শফিকুল ইসলামের বাড়িতে সামনে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে সকাল থেকে অবস্থান করছে। গ্রামের হাজার হাজার মানুষ বিষয়টি জানতে ভীড় জমাচ্ছে।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD