রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৫:০১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে সমঝোতায় সুবিধা নিলো ঠিকাদার রাজস্ব বঞ্চিত সরকার কোটি টাকার বালু পানির দরে বিক্রি গৌরনদীতে চার শত লোকের হাতে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী তুলে দিলেন জেলা পরিষদের সদস্য হারুন হাওলাদার কেশবপুরে আরও এক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন স্বপ্ন মৎস্য প্রকল্পের মৎস্যজীবিদের মাথায় হাত নড়াইলে লকডাউন কার্য্যকর করতে অভিযান চালিয়েছে এসপি প্রবীর কুমার রায় গৃহনির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এডিসি মারুফুল আলম পাইকগাছায় করোনা প্রতিরাধ বিষয়ক পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার অপরাধে আটক-১ বিএফএ-এর পক্ষ থেকে পাবনা জেলা প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান ফুলবাড়িয়ায় কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ও তার বাবাকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা-বাড়ছে বিভিন্ন ক্রাইম

আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা-বাড়ছে বিভিন্ন ক্রাইম

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা-চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকান্ড (ক্রাইম) বাড়ছে। ক্রাইম জোন এলাকা বাইপাইল, শ্রীপুর, জিরানী, এদিকে ভাদাইল ও রূপায়ন আবাসন ১ এর মাঠসহ আশপাশের পাড়া মহল্লায় বাড়ছে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড।
বিশেষ করে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বাড়লেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরবতা ও থানায় মামলা রেকর্ডভুক্ত না হওয়ায় এসব অপরাধ করে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে অপরাধীরা, এমনই অভিযোগ উঠেছে সচেতন মহলে। অনেকেই বলেন, আশুলিয়ার পাবনারটেক, ভাদাইল, জামগড়ার রূপায়ন আবাসন ১ এর মাঠের আশপাশে কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা হিসেবে পরিণত হয়েছে, এসব এলকায় দিনে এক চিত্র আর সন্ধ্যার পর থেকে অন্যচিত্র।
গত মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় বহিরাগত এক কিশোরকে অপহরণের পর অপহরণকারী কিশোর গ্যাং সন্ত্রাস বাহিনী মুক্তিপণ না পেয়ে ভিকটিমকে হত্যা করে পালিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল ইসলাম। এর আগে আশুলিয়ার মোজার মিল এলাকার একটি ডোবা থেকে সবুজ নামের এক কিশোর ভিকটিমের লাশ উদ্ধার ও জাহিদুল ইসলাম নামের অপর এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, নিহত সবুজ মিয়া লালমনিরহাট জেলা সদরের কাজী কলোনী গ্রামের মোঃ মিছের আলীর ছেলে। সে মাদ্রাসার ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো বলে একই এলাকার অপর আহত কিশোর জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছে পুলিশ ও গণমাধ্যমকে। পুলিশ জানায়, সবুজ ও জাহিদুল লালমনিরহাট থেকে বোনের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় এবং আশুলিয়া এলাকায় এসে বোনের বাসা খুঁজে না পেয়ে মোজার মিল এলাকায় অপেক্ষা করার সময় তাদের দুইজনকে রাতে থাকার ব্যবস্থা করে দিবে বলে কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসী কয়েকজন যুবক একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়। এরপর কিশোর গ্যাং বাহিনীর সদস্যরা সিস্টেমে সবুজ ও জাহিদুল এর গ্রামের বাড়িতে তাদের পরিবারের লোকজনের কাছে ফোন দিয়ে মাত্র ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় ওই কিশোর দুইজনকে বেধরক পেটাতে থাকে অপহরণকারীরা, এ অবস্থায় সবুজ নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়। এ সময় ওই দুই কিশোরকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে কিশোর গ্যাং সন্ত্রাস বাহিনী অপহরণকারী খুনিরা পালিয়ে যায়। এই লাশ উদ্ধার ও অপহরণের বিষয়ে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আশুলিয়ায় গত ৮জুন ২০২০ইং সন্ধ্যা ৭টার দিকে পূর্ব শক্রতার জেরে ৩০/৩৫ জনের কিশোর গ্যাং বাহিনীর সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কলেজ ছাত্র মোঃ হাশেমুল ইসলাম টুটুল (১৯), কে কুপিয়েছে। আহত টুটুল সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর ১ম বর্ষের ছাত্র, তার বাবা মা আশুলিয়ার ভাদাইল পূর্বপাড়া আজিজ ফকিরের বাড়ীর ভাড়াটিয়া। করোনা ভাইরাস এর কারণে ছুটিতে বাসায় আসেন টুটুল, অভাবের সংসার তাই একটি ইলেকট্রোনিক্স শো-রুমে কাজ করেন এই ছাত্র। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য টুটুলের বাবা মোঃ তোফাজ্জল হোসেন বাদি হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তোফাজ্জল হোসেনের গ্রামের বাড়ি জামালপুর সরিষাবাড়ী থানার উচ্চ গ্রামে।
এ বিষয়ে আহত টুটুলের বাবা তোফাজ্জল বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে যারা হামলা করে মাথায় কুপিয়েছে আমি তাদের বিচার চেয়ে থানায় মামলা করার জন্য অভিযোগ করেছি, কিন্তু টাকা পয়সা নেই গরীব বলে আমি বিচার পাইনি। এ ব্যাপারে পুলিশের দাবি থানায় জনবল কম, তারপরও উক্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ, অপরাধী সে যেইহোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে বলে পুলিশ জানায়। জানা গেছে, আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় এরকম প্রায় দিনই অনেক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নানারকম ঘটনা ঘটছে কিন্তু বেশিরভাগ ঘটনায় বিভিন্ন কারণে থানায় মামলা হয় না। এই এলাকায় সাংবাদিক, পুলিশ ও জনসাধারণের নিরাপত্তা নেই বললেই চলে, মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় সাংবাদিক ইয়াছিন ও তার সহযোগি আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ইং রাত ৮টার দিকে আশুলিয়ার একই এলাকা রূপায়ন আবাসন ১ এর মাঠের মধ্যে ছিনতাইকারীরা সুজন (২২) এর কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে ২০ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। একই রাতে ভোর ৪টার দিকে একই স্থানেই শফিকুল ইসলাম নামের এক জনের কাছ থেকে টাকা পয়সা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়েছে ছিনতাইকারীরা। ভুক্তভোগীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, বিশু, মতিন, আকবর, সোহেল রানা, বাদল, শহিদুলসহ ৭-৮জনের কিশোর গ্যাং ৫ স্টার বাহিনীর ছিনতাইকারীরা উক্ত মাঠে ছিনতাই ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকান্ড করে। উক্ত এলাকায় এরকম অনেক ঘটনা ঘটেছে কিন্তু পুলিশ মামলা না নেয়ার কারণে অপরাধীদের সাহস বেড়ে গেছে বলে অনেকেই জানান।
আশুলিয়ার ইয়ারপর ইউনিয়নের গোরাট এলাকায় এক নারী শ্রমিককে তুলে নিয়ে গিয়ে স্থানীয় রাহিল মেম্বারের ইটভাটায় স্থানীয় আনা মিয়ার ছেলে রানা মিয়া (২৫),সহ ৪-৫ জনের কিশোর গ্যাং তাকে ধর্ষণ করে বলে আশুলিয়া থানায় মামলা করেছেন ধর্ষিতা। ওই ধর্ষিতার অভিযোগের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ইং সন্ধ্যায় গোরাট এলাকায় ডেবনিয়ার এ্যাপারেলস কারখানার সুইং অপারেটর পদে কর্মরত ওই নারী শ্রমিক তার এক সহকর্মীর সাথে বাসায় ফিরছিলেন, পথিমধ্যে রাহিল মেম্বারের ইটভাটার সামনে বখাটে রানা ও তার সঙ্গীরা জোরপূর্বক মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ওই ইটভাটার ভিতরে তাকে ধর্ষণ করেছে। স্থানীয়রা জানায়, একাধিক ধর্ষণসহ কয়েকটি মামলার আসামী রানা মিয়া। ঘটনার সময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন চলে আসলে রানাসহ তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। এরপর রাতেই ওই নারী বিচার পাওয়ার আশায় মামলা করার জন্য আশুলিয়া থানায় অভিযোগ করেন। এ ঘটনার পরের দিন এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাহিদ হাসান সাংবাদিকদের জানান, ভুক্তভোগী ওই নারী পোশাক শ্রমিকের অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, উক্ত ধর্ষণকারী রানা গত বছর ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর জামগড়ার ছয়তালা ইয়ার্গী বাংলাদেশ পোশাক কারখানার নারী শ্রমিক নাজমা (১৬) কে গণধর্ষণ ও হত্যার সাথে জড়িত রয়েছে। জানা গেছে, স্থানীয় রানার বাবা আনা মিয়াও একজন নারী শ্রমিককে ধর্ষণ করায় মামলা হয়েছে। রানার বাবার ৩ জন স্ত্রীর ৫ ছেলের মধ্যে রানা বড় ছেলে।
পুলিশের দাবি, অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেফতার করা হয় কিন্তু আদালত থেকে তারা জামিনে এসেই আবার সেই অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে, এখানে পুলিশ কি করবে? জনসচেতনতার অভাবেই এসব ক্রাইম হচ্ছে। সবাই সচেতন হলে অপরাধমূলক কর্মকান্ড অনেকটা কমে যাবে। অন্যদিকে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়, আর সেখানেও অনিয়ম, ওই রিপোর্টের ব্যাপারে নানারকম জটিলতা সৃষ্টি হয় বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।
গত ৫ জানুয়ারি ২০১৯ইং আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন আবাসন ১ নং গেটের সামনে কাঁচামালের দোকানদার হানিফ এর মেয়ে পোশাক শ্রমিক নাজমা গণধর্ষণের শিকার হয়ে অসুস্থ্য হলে দুইদিন পর স্থানীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন, আবার কেউ কেউ বলেন, নাজমা ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় ৭ জানুয়ারি ২০১৯ইং নাজমার মৃত্যুর পর থানায় মামলা হয়। এ ঘটনার সাথে জড়িত ২ জন আসামী এক রহিমকে জনতা আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করেছেন, এরপর র‌্যাব-১ এর বিশেষ একটি দল শিপন নামের একজনকে গ্রেফতার করে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করেছেন। এই মামলার ওপর আসামী রিপন এর লাশ উদ্ধার করেন সাভার বিরুলিয়া এলাকা থেকে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এ বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন অনেকেই। গণধর্ষণের শিকার নাজমা (১৬), আশুলিয়ার জামগড়া ইয়ার্গী বাংলাদেশ লিঃ নামের পোশাক কারখানায় চাকুরি দেন তার বাবা আবু হানিফ ২বছর আগে, তাহলে ১৪ বছর বয়সে নাজমার চাকুরি করতে হয়। এ বিষয়ে ইয়ার্গী বাংলাদেশ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম পাটোয়ারী বলেন, নাজমা গণধর্ষণ ও মৃত্যুর পর তার বাবা হানিফ এর নামের সাথে নাজমুল নাম যোগ করে তার বাবাকে প্রথমে কয়েক হাজার টাকা দেয়া হয়, এর ৮ মাস পর আরও দুই লাখ টাকা দেয়া হয়েছে হানিফকে। মামলা সুত্রে জানা গেছে, ইয়ার্গী বাংলাদেশ লিঃ কারখানার কর্মকর্তারা বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত। এই নাজমা গণধর্ষণ ও হত্যার সাথে উক্ত ধর্ষণকারী আনা মিয়ার বড় ছেলে রানা মিয়া জড়িত আছে বলে অনেকেই জানান। বাংলাদেশ শ্রম আইন সুত্র ৬৪৬ পাতায়ঃ (১) কোনো ব্যক্তি ধারা ১৯৫ বা ১৯৬ক এর কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে তিনি এক বৎসর পর্যন্ত কারাদ-ে, অথবা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদ-ে, অথবা উভয় দ-ে দ-নীয় হইবেন। উক্ত ব্যাপারে র‌্যাবসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD