সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১২:৫৩ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
এড. সুজার মৃত্যুতে জাপার রাজনীতিতে যে শূণ্যতার সৃষ্টি হলো তা পূরণীয় হবার নয়- রওশন এরশাদ।। কালিহাতীতে পিকনিকের নৌকা থেকে নদীতে পড়ে ঘাটাইলের যুবক নিখোঁজ মধুপুরে আকাশী ফুলবাড়ী মোড় হতে রানিয়াদ ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কের বেহাল অবস্হা শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নির্দেশনায় মুন্সিগঞ্জে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রলীগ। আশুলিয়ায় চার মাদক ব্যবসায়ী ও মিরপুরে ৩৭জুয়ারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব! নড়াইলে অবসরে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের সন্মাননাসহ সুসজ্জিত গাড়িতে করে বিদায় জানালো, এসপি প্রবীর কুমার রায় খুলনার পাইকগাছায় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় স্মারকলিপি প্রদান প্রশাসনের মাইকিং অমান্য করে পাইকগাছার চাঁদখালীতে লকডাউনের মধ্যে গরুর হাট বসানোর অভিযোগ পাইকগাছায় ভাঙ্গা মাটির ঘরে তপন বিশ্বাসের মানবেতর জীবন যাপন পাইকগাছায় ৫ জুয়াড়ি আটক : থাানায় মামলা
আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার কল্যাণে কাজ করছেন

আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার কল্যাণে কাজ করছেন

হেলাল শেখঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার কল্যাণে কাজ করছেন, তিানি যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারেন, তিনি একজন মমতাময়ী মা ও সৎ, সাহসী আদর্শ নারী। তিনি ক্ষমতায় আসার পর দেশের উন্নয়ন চলমান, দুই একটি ঘটনা ছাড়া সকল সেক্টরেই উন্নয়ন ও সফলতা দেখা যাচ্ছে তাঁর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মমতাময়ী মা এবং ছোট ভাইসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়েছেন শেখ হাসিনা। দুঃখ কষ্ট থাকলেও তিনি কাউকে বুঝতে দেননা, তিনি আল্লাহর হুকুমে নিয়ম মেনে ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়েন এবং সততা ও সাহসী ভুমিকায় জনস্বার্থে কাজ করে যাচ্ছেন, এই মমতাময়ী মা, শেখ হাসিনা’র ৭৪তম জন্মদিন ২৮সেপ্টেম্বর। শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা রইল।
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। জন্ম, মৃত্যু সবকিছু আল্লাহর হাতে, একজন যাবে, আর একজন আসবে এইতো নিয়তি, মানুষ মরে যায়, রেখে যায় স্মৃতি। কোভিড ১৯, মহামারিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৩টি দেশে কোটি কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে, আর চলমান মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে, বিশ্বের অন্যসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষকে আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত ও রক্ষা করেছেন, আমিন। তারপরও মানুষের কার কখন কি হবে একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কেউ তা জানেন না। কি বলবো, ভাষা হারিয়ে ফেলেছি, অনেক বছর আগেই মমতাময়ী মা বাবা, ছোট ভাইসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়েছেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, নতুন করে আর কারো হারানোর ভয় নেই তাঁর, তাই যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারেন তিনি। এখনো তাঁর মা, বাবা ও ছোট ভাইসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়ে তাদের হারানো স্মৃতি ও দুঃখ, কষ্ট বেদনা বুকে নিয়ে বেঁচে আছেন শেখ হাসিনা। মাঝে মাঝে শেখ হাসিনা তাঁর মা ব্বাা হারানোর কষ্টে কান্না করেন বলে সূত্র জানায়। পৃথিবীর বুকে এইভাবে শেখ পরিবারের মতো আর কেউ এক সাথে হত্যার শিকার হতে দেখেছেন কি? না। শেখ পরিবারের মতো আপনারা আর কেউ কি কাউকে হারিয়েছেন? তা আমার জানা নেই। ১৯৭৫ইং সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সবাইকে হত্যা করেছে ঘাতকরা, বিদেশে থাকার কারণে হয়ত বেঁচে আছেন বঙ্গকন্যা শেখ রেহানা ও শেখ হাসিনা, কিন্তু কান্না থামেনি, আজও মা তাঁর প্রিয় বাবাসহ সবার তরে নিরবে কান্না করেন।
সারা বিশ্ব জানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বকালের শ্রেষ্ট বাঙালি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কন্যা বর্তমান সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে জাতিকে জানতে হবে এবং বুঝতে হবে তিনি একজন ভালো মানুষ। প্রিয় পাঠক আপনারা কি জানেন যে, ১৯৪৭ সালে পাকিস্থান স্বাধীন হওয়ার পর পরবর্তী দশকে কোন শাসন চালু ছিলো ? ৬ দফার অনানুষ্ঠানিক ঘোষণা কে? কবে? কখন? কোথায় দেয়া হয়? সুত্রমতে, শেখ মুজিবুর রহমান, ৫ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ এবং তা লাহোরে। প্রিয় পাঠক জানেন, শেখ মুজিবুর রহমান কবে কোথায় আনুষ্ঠানিক ভাবে ছয় দফার ঘোষণা দেন? তা ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ ইং লাহোরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে। রাজনীতি করলে হামলা, মামলার শিকার হতে হয় এটা মিথ্যা নয়,তা মানতে হবে। বিশেষ করে শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করার পর তা প্রত্যাহার করা হয় জানুয়ারি, ১৯৬৯-২২ ফেব্রƒয়ারি ১৯৬৯। পাকিস্থানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ডিসেম্বর ১৯৭০ইং সালে। ওই নির্বাচনের ফলাফলে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় পরিষদের ১৬৭টি এবং পাকিস্থান পিপলস্ পার্টি ৮৮টি আসন লাভ করে। বিশেষ করে পূর্ব-পাকিস্থান প্রাদেশিক আইন পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮টি আসন লাভ করে এবং অবশিষ্ট ১২টি আসন অন্যান্য দল। ৬ মার্চ ১৯৭১ইং সালে প্রেসিডেন্ট জাতীয় পরিষদের অধিবেশনের নতুন ঘোষণা দেয়া হয়।
সারাবিশ্ব ৭ই মার্চ ভাষণকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়েছেন। প্রিয় পাঠক জানেন যে, ৭ই মার্চ ১৯৭১-শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের বৈশিষ্ট্য কি? অহিংস ও অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি প্রদান, স্বাধীনতার পরোক্ষ ঘোষণা, পর্ব পাকিস্থানে আওযামী লীগের অসামরিক প্রশাসন চালু করা। সেই সময়ে ঢাকায় মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক শুরু হয় ১৬মার্চ ১৯৭১ইং থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত, ১০দিন চলে আলোচনা। তখন আলোচনার বৈঠক ভেঙ্গে দিয়ে ইয়াহিয়া খান ঢাকা ত্যাগ করে ২৫ মার্চ রাতে। এরপর পাকিস্থান সেনাবাহিনী গণহত্যা শুরু করে।
২৫ মার্চ রাতেই শেখ মুজিবকে ধানমন্ডির ৩২ নং বাসা থেকে বন্দী করা হয়। এরপর ঘটে যায় অনেক ঘটনা, ৯ মাস যুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হয়। লাখ লাখ মানুষের তাজা রক্তের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে, লাল সবুজের বাংলাদেশকে এখন বিশ্ববাসী চেনে জানে। আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলছি, বাংলা আমাদের অহংকার। আওয়ামী লীগ আগেও ছিলো, এখনও আছে, আগামীতেও থাকবে এই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। আল্লাহু সৃষ্টি করেছেন মানুষকে, আর সেই মানুষদের মানবতার কল্যাণে কাজ করা উচিৎ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সহপরিবার জীবন দিয়ে প্রমান করে গেছেন যে, শেখ পরিবার দেশের মানুষকে ভালোবেসেন, প্রয়োজনে শেখ পরিবারের সদস্য দেশ ও জনগণের স্বার্থে জীবন দিতে পারেন। প্রিয় পাঠকগণ শেখ মুজিব সম্পর্কে জানার শেষ নেই। তবুও যতোটুকুও জানার দরকার জানুন এবং জাতিকে জানার জন্য আগ্রহী করে তা প্রচার করুন। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র সাথে অন্য কোনো প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করা যাবে না।
শেখ পরিবারের সদস্যরা মানুষের কল্যাণে কাজ করতে নিজেদের জীবন দিতে জানেন, এটা সারা বিশ্বের মানুষ জানে। সুত্রে জানা গেছে, ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন দ্বারা পাকিস্থান সৃষ্টির পরবর্তী দশক শাসিত হয়। এই শাসন ব্যবস্থাকে ভাইস রিগ্রাল ব্যবস্থা বলা হয়। বিশেষ করে পাকিস্থানের দুই অ লের মধ্যে বৈষম্য ও বিভেদের কারণ কি? তা হলো পাকিস্থানি শাসনচক্রের নীতিহীনতা, অদূরদর্শিতা ও স্বার্থপরতা। পাকিস্থানের প্রথম গভর্নর ছিলেন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। তখন পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন লিয়াকত আলী খান। লিয়াকত আলী খানের মৃত্যুর পর, খাজা নাজিম উদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হন। এরপর ১৯৫৩ইং সালে গোলাম মুহম্মদ গভর্নর জেনারেল হন। খাজা নাজিম উদ্দিনের পর পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন, বাংলাদেশের বগুড়ার মুহম্মদ আলী। উক্ত নিউজ তথ্য সুত্র কমপিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড থেকে সংগ্রহ। সর্বকালের শ্রেষ্ট বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমানেরই কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী, তিনি জনস্বার্থে কাজ করেন, কখনো নিজের চিন্তা করেন না, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দেশবাসীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আল্লাহ জানেন আগামীতে করোনা পরিস্থিতিতে দেশ ও জাতির কি হবে। আসন্ন শীতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে বলে অনেকেরই অভিমত। মানুষ বেঈমান হলেও ইতিহাস বেঈমানি করে না, বাংলাদেশের জনগণ যারা প্রকৃত আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা কর্মী তাদেরকে নতুন কমিটিতে রেখে মানব সেবা করার সুযোগ করে দেয়া উচিৎ, না হয় জটিলতা বাড়তে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD