শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
টরকী বন্দরের ডাকাতির নিউজ করায় সাংবাদিকের উপর হামলা আশুলিয়া থানা যুবলীগের শীর্ষ পদ চায় কে এই রাজু দেওয়ান? রক্তাক্ত ১৫ আগষ্টে ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান ময়মনসিংহে রওশন এরশাদের পক্ষে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাপার জাতীয় শোক দিবস পালন।। বানারীপাড়ায় জাতীয় শোক দিবস পালন ও হত দরিদ্রদের মাঝে চেক ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের সাথে বাবুলের সাংগঠনিক বিষয়ে পরামর্শ ও আলোচনা বঙ্গমাতার জন্মদিনে বানারীপাড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ ময়মনসিংহের অষ্টধার ইউনিয়নে গণটিকার উদ্ভোধন করলেন চেয়ারম্যান তারেক হাসান মুক্তা।। তারাকান্দায় এডিসি ও ইউএনও’র গণটিকা কার্যক্রম পরিদর্শন।। সিরাজদিখানে গাজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
সুন্দরগঞ্জে মনগড়া বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহকদের মারমুখী আচারণ

সুন্দরগঞ্জে মনগড়া বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহকদের মারমুখী আচারণ

মোঃ আনিসুর রহমান আগুন,গাইবান্ধা থেকেঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় মনগড়া বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুতের প্রতিবাদে গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মারপিটের উপক্রম ঘটনা।
রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,পূর্ব বাইপাস মোড়ে অবস্থিত বিদ্যুৎ অফিস চত্বর ও অফিসের বারেন্দায় গ্রাহকদের মারমুখী আচারণের দৃশ্য। এসময় প্রতিটি বিদ্যুৎ গ্রাহকদের চিৎকার করে বলতে শোন গেছে, আমার বিলে এত টাকা হলো কেন? নিয়মিত বিল দেওয়ার পরও এত টাকা বেশি কেন? গত মাসের বিল দেয়ার পরও বিল যোগ হয়নি কেন? এভাবে নানা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তারা চিৎকার করতে করতে বিল প্রস্তুতের অফিস কক্ষে ঢুকে পড়ে। এসব গ্রাহকদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করা হলে তারা ক্ষোভে ও রাগে মারমুখী হয়ে পড়ে। কিন্তু বিল প্রস্তুতকারী কর্মচারীরা সকলে নারী হওয়ায় গ্রাহকেরা মানবিক কারনে ছেড়ে দেয়। পরে গ্রাহকদের ক্ষোভের মুখে টিকতে না পেরে অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সুকৌশলে গ্রাহকদের উপর তলার অফিস থেকে নামিয়ে দিয়ে কেচি গেট লাগায়। প্রতিটি বিল প্রতিনিয়ত হেরফের হওয়ার কারণ হিসেবে জানা গেছে,বিদ্যুৎ সংযোগ এলাকায় না গিয়ে মিটারের রিডিং না পড়ে ঘরে বসে থেকে বিল করেন কর্মচারীরা। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারনে এমনটা করেন তা না। দীর্ঘদিন থেকেই বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন এভাবে ঘরে বসেই বিল করে আসছেন। তারা ৩ হতে ৪ মাস পরে গিয়ে মুল মিটার দেখে বিল করে থাকেন। আর নিয়ে হরহামেশাই ঘটে বাকবিতন্ডাসহ হাতাহাতির মত ঘটনা। এনিয়ে নয়া মিয়া নামক এক গ্রাহকের সাথে হলে সে জানায়, আমার বাড়িতে একদিনও অফিসের লোকজন যায় না,অথচ মনগড়া বিল বানিয়ে শুধু হাতে ধরিয়ে দিয়ে আসে। আর অফিসে ভালমন্দ জানতে গেলে কম্পিউটারে বসে থাকা মহিলারা অমানবিক- অনাকাঙ্ক্ষিত আচারণ করেন। এব্যাপারে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডিজিএম মিলন কুমার কুন্ডুর সাথে মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি জানান,আমরা মিটিং করতে উপরে, এক ঘন্টা পরে আপনাকে ফোন দিব। কিন্তু পরে সে আর সাড়া দেয়নি। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি গ্রাহকের প্রাণের দাবি বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যাবতীয় হয়রানি বন্ধ করা হোক। কবে কোনদিন হবে বিদ্যুৎ
হয়রানি যবনিকাপাত। গ্রাহকদের এত আহাজারি আর্তনাদের তবে কেউ কি করবে না কর্নপাত!এহেন বিদ্যুৎ হয়রানি বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.net কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD